Monday, February 11, 2019

ঢাকা শহরে চলাফেরায় সতর্ক থাকুন!


ঢাকায় থাকেন বা নতুন এসেছেন বা চাকরির পরীক্ষা দিতে ঢাকায় যাবেন? তাদের একবার পড়ে নেওয়া খুব জরুরী; 'হাউ টু সারভাইভ ইন ঢাকা সিটি?'
সবাইকে নিরাপদ অবস্থানে দেখতে এই টিপসগুলোর দেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনেক দিন ধরে অনুভব করছিলাম→

১. ঢাকাতে কখনও বাসে জানালার পাশে বসে মোবাইল টিপবেন না। কখন নিয়ে যাবে তা টের পাবেন না। শুধু বাস না, কার, রিকশা কিছুই নিরাপদ না। সিএনজির ছাদ কেটেও মোবাইল নিয়ে নেয়। মোবাইল পকেটে নিরাপদ। নাকে বা কানে সোনার অলঙ্কারও নিরাপদ না।
২. রিকশাতে কোলে ব্যাগ? টান দিবে, ধরতে গিয়ে আপনি রাস্তায় পড়বেন, এবং আপনাকে রাস্তায় আছড়ে অনেক দূর টেনে নিয়ে যাবে, তাতে সিরিয়াস হেড অ্যান্ড স্পাইনাল কর্ড ইনজুরির সম্ভাবনা থাকে। ব্যাকপ্যাক ব্যাবহার করুন। বা ব্যাগ পায়ের ফাকে রাখুন। মাঝে মাঝে ধরে রাখলেই ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি।
৩. রাস্তায় কিছু খাবেন না। আই মিন কিছুই না। দূরপাল্লার জার্নি, পাশের যাত্রী কিছু দিলে খান না, তাতে কি? হয়তো যে পানি বা ডাব কিনলেন, বা অন্যকিছু তাতেই থাকতে পারে ঔষধ মেশানো। প্রতারকরা অনেক চালাক এখন।
৪. ট্রেন জার্নিতে দরজার পাশে, দুই বগির পাশে টাইম নিবেন না, কিংবা যতোই ভালো লাগুক দরজায় দাঁড়িয়ে বিড়ি টানবেন না। ট্রেনের ছাদে চলাচল যতোই রোমান্টিক লাগুক, যে গ্যাংগুলো ছিনতাই করে, তারা রুথলেস। অনেক লাশ পাওয়া যায় ট্রেন লাইনে, ম্যাক্সিমাম বেওয়ারিশ দাফন হয়।
৫. ছিনতাইকারী বেশ কয়েকজন। আপনি ঘেরাও। পকেটে দামী ফোন। আমার মতে ফোনের মায়া ত্যাগ করা ভালো, কারণ যারা ছিনতাইকারী তারা যথেস্ট ডেসপারেট। যদি পালিয়ে যেতে পারেন ইউ আর টু লাকি। বাট ফোনের দাম আপনার জীবনের দামের চেয়ে বেশি না, ট্রাস্ট মি।
৬. বান্ধবী বা মেয়ে বন্ধু, রেস্টুরেন্ট বা পার্ক। হঠাৎ একদল ছেলে, একটা গ্যাং। আজে বাজে কথা বলছে, বাজে ইংগিত দিচ্ছে। ওরা কাইন্ড অফ চাইছে আপনি ঝামেলায় জড়ান। আপনারও রক্ত গরম হয়ে যাচ্ছে, গার্লফ্রেন্ডের সামনে এরকম অপমান? জাস্ট এড়িয়ে যান, এ রকম সিচুয়েশনে আপনার সেলফ এস্টিমে যতোই লাগুক, কনফ্লিক্ট লস প্রজেক্ট। দুজন থাকলেও কথা, দুয়ের অধিক হলেই ঝামেলা লস প্রজেক্ট। আর নির্জন জায়গা হলে আরো আগে সরে যান।
৭. ভোররাতে ঢাকা এসে পৌঁছেছেন। ভয়ানক রিস্কি ঢাকার রাস্তা। পারলে বাসস্টপে বা ট্রেন স্টেশনে অপেক্ষা করুন সকালের যখন রাস্তায় যথেস্ট মানুষ থাকবে। এ সময় ছিনতাইকারীরা একটিভ থাকে। টেকনোলজিকালি এডভান্স হলে, উবার ডাকুন।
৮. ট্রেন স্টেশনে বা সদরঘাটে ভারী জিনিস নিয়ে আসছেন তো মরেছেন। আপনার কাছ থেকে চাঁদার মতো ৪০০-৫০০ টাকা খসিয়ে ছাড়বে। সাবধানে থাকুন।
৯. নিউমার্কেটের মতো মার্কেটগুলোতে বা নীলক্ষেতে কাউকে নিয়ে শপিং এ গেছেন, দাম জিজ্ঞাসা করছেন। কিন্তু যদি উনি বলে আপনি দাম বলেন, আপনি না নিতে চাইলেও দাম বলার জন্য জোরাজুরি করবে। মেজাজ দেখিয়ে লাভ নাই, এরা একটা গ্যাং, সাথে মেয়ে মানুষ দেখবে তো আরো বেশি ঝামেলা করবে। দাম বলুন একটা দরকার হলে অনেক কম করে বলুন। আপনার ক্লাস নিয়ে কমেন্ট করবে, যতোই অপমানিত লাগুক সরে যান। এখানে ঝামেলা লস প্রজেক্ট।
১০. বাসে পিছনের পকেটে ওয়ালেট বা সামনের পকেটে মোবাইল সেফ না। সাথে ব্যাগ থাকলে ব্যাগের ভিতর ফোন আর বাড়তি টাকা রেখে দিন। বাট আপনার ব্যাগ ও কিন্তু সেফ না, সেটাকেও দেখে রাখেন।
১১. চিড়িয়াখানায় গিয়ে কিচ্ছু খাবেন না। সিংগাড়া খাইয়ে ৮০০/৯০০টাকা খসায় নিবে। একই ব্যাপার বানিজ্যমেলায় বিরিয়ানী বা নাস্তার জন্য প্রযোজ্য কিংবা হাইওয়ে সাইড হোটেলে। ফ্যামিলি নিয়ে খাইসেন তো বিপদে পড়ছেন। অন্যান্য জায়গায়, যেমন শিশুপার্ক, চন্দ্রিমা উদ্যান এগুলাতে দাম জিজ্ঞাসা না করে একটা ফুচকাও খাবেন না। ফুচকার দাম ১০০/১৫০ বললে কিছু করার থাকে না। খাবার আগে দাম জিজ্ঞাসা করুন, এটা খুবই ভালো একটা অভ্যাস।
১২. রাতে ঘোরাঘুরি খুবই রিস্কি। সেটা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। কিছু কমন অপরাধ স্পট আছে। এখন আর কোনো কমন কিছু নাই, সব জায়গাই রিস্কি। চোখ কান খোলা রাখুন।
১৩. বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছেন, হঠাৎ একটা মাইক্রো এসে থামলো, বা সেটা একটা কার ও হতে পারে। 'ট্রিপ' নিচ্ছে। উঠবেন না। মেয়ে হলে আরো আগে না; যতোই আরামের ভ্রমণের নিশ্চয়তা দিক, হতে পারেন ছিনতাই, ধর্ষণ বা কিডন্যাপিংয়ের শিকার। রাতের বেলা পাবলিক ট্রান্সপোর্টের উপর সেফ কিছু নাই।
১৪. রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন। হঠাৎ ভদ্রবেশী কেউ এসে, সে হতে পারে ছেলে বা মেয়ে, আপনার ফোন চাইলো, উনার কোন সমস্যা হয়তো, একটা ফোন দিবে কাউকে। ফোনটা দিলেন, দেখলেন লোকটা বাইকে উঠে হাওয়া! জ্বী, এমনও হয়।
১৫. হয়তো বন্ধু বান্ধবের আবদার, পার্টি। গিয়েছেন বুজ কিনতে কোনো বারে। বারের সামনেই সাদা পোশাকে পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকে, বুজ যাবে, টাকা যাবে, ইজ্জতও যাবে।
১৬. সাথে সবসময় আইডেন্টিফিকেশন ডকুমেন্ট রাখুন। কাজে দেয়। হয়তো অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন, তখনও কাজে দেয়।
১৭. হাটছেন, হঠাৎ অপরিচিত কেউ পিছন থেকে ডাকছে। আপনি যদি হেটে নিরাপদ দূরত্বে যেতে পারেন চলে যান। কারণ উনি আপনাকে আটকাবে, গ্যাং আসবে, দ্যান আপনি ছিনতাইয়ের শিকার। একই ব্যাপার ধাক্কা লাগিয়ে করবে। জাস্ট হেটে চলে যান।
১৮. বড় অংকের নগদ টাকা ট্রান্সফার করবেন না। রিস্কি, এরা যে কোথায় নাই, ইউ উইল ওয়ান্ডার।
সবচেয়ে বড় কথা, সবসময় সতর্ক থাকুন, চোখ কান খোলা রাখুন, নিজের ইন্সটিক্টকে বিলিভ করুন। স্টে সেফ।
লেখা: দেবাশিষ দত্ত।

ভালো থাকুন | School of Awareness

বিকাশ সার্ভিসে আবারও সক্রিয় হয়েছে হ্যাকাররা, জেনে নিন ও সতর্ক থাকুন!


রাত ১১.৩৪ এ হঠাৎ করে +১৬২৪৭ (বিকাশ হেল্পলাইন) থেকে ফোন আসে। কেবলমাত্র ঘুমিয়েছি। ঘুম ঘুম চোখে ফোনটা কেটে দিলাম। পরে আবার ফোন দিলো। রিসিভ করে সালাম দিলাম। 
একজন দক্ষ কাস্টমার কেয়ার অপারেটর এর মত সালাম দিলো। বলছে, স্যার আপনার ফোনে গত মাসের ১৪ তারিখে BTRC থেকে ম্যাসেজ করা হয়েছিলো যে আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্ট হালনাগাদের লক্ষ্যে আপনার ভোটার আইডি কার্ড প্রদান করুন। রিপ্লাই ম্যাসেজে আপনার ভোটার আইডি কার্ড নাম্বার ও অ্যাকাউন্ট এর তথ্য সেন্ড করতে বলা হয়েছে আপনি করেন নাই।
না হলে আপনার অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেওয়া হবে। স্বাভাবিকভাবেই ঘাবড়ে গেলাম। আমার অ্যাকাউন্টে তখন ১১০০০+ টাকা। মনে মনে চিন্তা করলাম ১১০০০ টাকা আটকে যাচ্ছে। বিষয়টা কেমন হয়?
আমাকে হতবাক করে দিয়ে অপর দিক থেকে সে বলল, স্যার আপনার লাস্ট ট্রানজেকশন ৫১০০ টাকা।
মোট ১১০০০ টাকা আছে!
(এই কথা শোনার পর কার না বিশ্বাস জন্মে কে সে আমার বিকাশ অ্যাকাউন্ট এর খবর জানে অবশ্যই সে রিয়াল)
বলে, যদি আপনি এখন তথ্য প্রদান না করেন তাহলে আপনার টাকাসহ অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে। 
বড় বিপদে পড়ে গেলাম।
মনে মনে বললাম টাকা তো যাবে না জাস্ট অ্যাকাউন্টটা বন্ধ হবে। পরে হালনাগাদ করে নিবো। আমি অপর দিকে লোকটাকে বললাম, দেখুন ভাই আমার অ্যাকাউন্ট তো আমার বাবার আইডি কার্ড এর তথ্য দিয়া অ্যাকাউন্টটা খুলেছি আমি আজকে দিতে পারবো না। 
কথাটা শুনে অপর দিকে থাকা লোকটা দীর্ঘ নিশ্বাস ছেড়ে বলে তাহলে আপনার অ্যাকাউন্টটা ডি-অ্যাক্টিভ করে দিলাম। 
সাথে আবার একটু থ্রেড টাইপের কথা বলে, আপনি জানেন না বিকাশ হেল্পলাইনের নাম্বার এইটা ফোন কেটে দেন কেন?
বললাম, ভাই রাত সাড়ে ১১ টায় কোনো কাস্টমার কেয়ার থেকে ফোন কল! কেমন অদ্ভুত বিষয় না?
সে আমাকে ডাটিয়ে বলছে, প্রয়োজনে যেকোনো সময় ফোন করবে।
আমি ওকে বলে ফোনটা কেটে দিলাম।
১০ মিনিট পর চেক করতে গেলাম যে অ্যাকাউন্টটা সত্যি কি বন্ধ করে দিলো।
নিজের ফোনে ১০ টাকা বাই এয়ারটাইম করলাম। 
দেখলাম সাথে সাথে টাকা মোবাইলে আসলো। পরে ১৬২৪৭ এ কল দিলাম। দিয়ে সব ঘটনা খুলে বললাম।
তারপর তারা যা বলল তা সবকিছুই আমার জানা। একটি সংঘবদ্ধ চক্র নাম্বার ক্লোনের মাধ্যমে স্ক্যাম করছে এবং আপনার অ্যাকাউন্ট এর সব টাকা তারা হাতিয়ে নিচ্ছে আপনার অজান্তেই।
অবাক হয়ে ভাবতে থাকি আমি এইসব জিনিস জানার পরেও আমাকে প্রায় হেপ্রটাইস করে ফেলেছিল।
তাহলে যারা জানে না তাদের কি অবস্থা হয়?
তাই কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে চাই:
১. বিকাশ কখনই কোনো তথ্য/অফার/নোটিশ ফোনকল অথবা ম্যাসেজের মাধ্যমে কোনো বিকাশ গ্রাহক/এজেন্ট কে পাঠায় না। যদি কিছু করতেই হয় তবে পেপার পত্রিকা/ কোনো বড় ধরনের টিভি এ্যাডভারটাইসমেন্ট এর মাধ্যমে জানাবে।
২. যদি আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে হয় তাহলে কোনো ওয়ার্নিং ছাড়াই বন্ধ করে দিবে আপনাকে ফোনকলে নোটিশ দিয়ে বন্ধ করবে না।
৩. যদি আপনি বিকাশ এজেন্ট হন তাহলে মনে রাখবেন বিকাশ কখনই ফোনকল অথবা ম্যাসেজে আপনাকে কিছু দিবে না অথবা নিবে না। যা করবে তা সব সরাসরি সামনা সামনি করবে।
৪. সব কথার এক কথা ফোন করে/ ম্যাসেজে আপনার অ্যাকাউন্ট এর কিছু জানতে চাওয়া অথবা কোন কিছু ডায়েল করতে বললে নিঃদ্বিধায় একবাক্যে ১০০% কনফার্ম হবে যে সে প্রতারক। ডিজিটাল সুযোগ সুবিধার ফলাফল ভোগ করুন। কিন্তু একটু সাবধান থাকবেন। তাহলে সব ঠিক থাকবে।
(সংগৃহীত)

ভালো থাকুন | School of Awareness

জেনে নিন, লিফট ছিঁড়ে গেলে বাঁচার উপায় কী!


দুর্ঘটনার হাত থেকে সম্পূর্ণ নিরাপদ নয় কেউ। লিফট দুর্ঘটনার কথা বলা যেতে পারে। লিফট ছিঁড়ে নিচে পড়ে যাওয়ার মতো ভয়ংকর দুর্ঘটনার ঘটতে পারে যে কোনো সময়। যদিও লিফট ছিঁড়ে যাওয়ার ঘটনা খুব বেশি ঘটে না, কিন্তু একেবারেই যে ঘটে না বা ঘটবে না তা কিন্তু নয়। তাই জেনে রাখা ভালো, লিফট ছিঁড়ে নিচে পড়ে যেতে থাকলে কীভাবে বাঁচাবেন নিজেকে।

১. লাফ দেবেন না:
প্রথমত, আপনি যখন ফ্রি স্টাইলে নিচে পড়ে যেতে থাকবেন, তখন লাফ দেওয়ার চেষ্টা করাটা খুবই কঠিন। দ্বিতীয়ত, লাফালাফি করলে লিফট আরো বেশি গতিতে আছড়ে পড়বে। তৃতীয়ত, আপনার শরীরের কোন অংশ পতিত হবে তা এর মাধ্যমে আগেভাগে নির্ধারণ করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না। বরং লাফের কারণে আপনি মাথায় আঘাত পেতে পারেন এবং খুব খারাপভাবে আপনার শরীর আছড়ে পড়তে পারে।

২. সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবেন না:
সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকাটা খুব ভালো ধারণা নয়। কারণ পতনের সময় শরীরের ওজনের ১০ গুণ ওজন এসে ভর করে পায়ে। যা খুবই গুরুতর জখম হওয়ার কারণ হতে পারে।

৩. সবচেয়ে নিরাপদ কৌশল:
মাস্যাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং সেন্টারের গবেষক ইলিয়ট এইচ ফ্রাঙ্কের মতে, লিফট যখন পড়ে যেতে থাকবে তখন যত দ্রুত সম্ভব চিৎ হয়ে দুই হাত ও পা ছড়িয়ে লিফটের মেঝেতে শুয়ে পড়া একমাত্র নিরাপদ কৌশল। এতে আপনার শরীরের সেরা অংশগুলোতে শক্তি ছড়িয়ে পড়বে। এবং এর ফলে শরীরের কোনো নির্দিষ্ট অংশে অন্য কোনো অংশের তুলনায় বেশি ওজন বিরাজ করবে না। নিচে পড়ার আঘাত শরীরের সব অংশে সমানভাবে ছড়ে যাবে বলে ভারসাম্য রক্ষা করে শরীরের নির্দিষ্ট কোনো অংশে কম আঘাত লাগবে। তবে সত্যিকার অর্থে এটা বাঁচার একটা চেষ্টা করা মাত্র, জখম তো হতেই পারে, তবে গুরুতর জখম থেকে রক্ষা পাওয়ার সেরা একটা চেষ্টা হচ্ছে এই কৌশল অবলম্বন করা।

৪. লিফটে বেশি মানুষ থাকলে করণীয়:
এ পরিস্থিতিতে সবচেয়ে ভালো যেটা করতে পারেন তা হচ্ছে, লিফটের মেঝেতে বসে পড়া। আপনি দাঁড়িয়ে থাকলে অস্থিতে যে পরিমাণ চাপ পড়তো তার তুলনায় অস্থিতে কম চাপ পড়বে এ পজিশনে। যদি বসে পড়ার মতো জায়গা না থাকে, তাহলে অন্তত চেষ্টা করুন হাঁটু বাঁকা করে রাখতে, এটিও পায়ের বল কমাতে কিছুটা সাহায্য করবে।
(সংগৃহীত)

ভালো থাকুন | School of Awareness

Sunday, February 10, 2019

চলার পথে বিভিন্ন সমস্যায় সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসতে পারে ৯৯৯!


ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি পুলিশি সেবা পেতে জাতীয় হেল্প ডেস্ক হিসেবে ‘৯৯৯’ নম্বরটি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

টোল ফ্রি হিসেবে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে নাগরিকেরা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিতে পারবেন। এজন্য গ্রাহকের কোনো রকম খরচ লাগবে না। কোনো অপরাধ ঘটতে দেখলে, প্রাণনাশের আশঙ্কা দেখা দিলে, কোনো হতাহতের ঘটনা চোখে পড়লে, দুর্ঘটনায় পড়লে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে, জরুরিভাবে অ্যাম্বুলেন্সের প্রয়োজন হলে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে সাহায্য চাওয়া যাবে। মোবাইল ফোন ও টেলিফোন উভয় মাধ্যমে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা যাবে।

আপনি একজন নারী? পিছনে কেউ লেগেছে? ডায়াল করুন ৯৯৯ তে।
দেখলেন, কেউ অন্ধকার জায়গায় সংঘবদ্ধভাবে বাজে কিছু করার পাঁয়তারা করছে; স্রেফ ৯৯৯ ডায়াল করবেন।
হঠাৎ অসুস্থ হলে মাথা এলোমেলো হয়ে যায়। ৯৯৯ডায়াল করুন, দ্রুত এম্বুলেন্স পৌঁছে যাবে।
ভালো কথা,বাংলাদেশ স্বাস্থ্য বাতায়ন নাম্বারটা আছে তো? বিশ্বাসযোগ্য লাগছেনা? আমি নিজেই আমার বিভিন্ন চিকিৎসার প্রয়োজনে স্বাস্থ্য বাতায়নের হেল্প লাইনে কল করে তাদের ট্রিটমেন্ট নিয়েছি এবং আমি ১০০% সন্তুষ্ট। এখন আপনি সেবা না নিলেতো তাদের দোষ নাই, তাইনা?

৯৯৯ আমাদের ইমার্জেন্সি নাম্বার। একবারে ১২০টা ফোনকল রিসিভ ও সমাধান দিতে পারার সক্ষমতা রয়েছে প্রজেক্টে। যেকোনো ইমার্জেন্সি প্রয়োজনে শুধুমাত্র ৯৯৯ ডায়াল করলেই নির্দেশনা অনুযায়ী সেবা পাওয়া যাবে।

ফ্রি তাইনা? মজা করবেন?
করুন। যেকোনো একজন কল দেয়া মাত্রই অটোমেটিক একটা ফাইল তৈরি হয়ে যাবে। নেক্সট টাইম যখন সত্যিসত্যি বিপদে পড়ে কল দিবেন, তখন আর পাবেন না তাদের। বাঘের খেলা তাই না দেখালেই ভালো হবে।

সবাইকে ধন্যবাদ। দেরিতে হলেও ইমার্জেন্সি সেবা চালু হয়েছে, তাতেই আমি খুশি। এখন ম্যানেজমেন্ট ঠিকমত হলেই নতুন যুগে প্রবেশ করতে পারবো আমরা।

এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন কমেন্টে দেওয়া লিংকগুলোতে ভিজিট করলে।
(সংগৃহীত)

ভালো থাকুন | School of Awareness

Saturday, February 9, 2019

ঢাকার ভয়ঙ্কর তিন কিলোমিটার রাস্তা!


ঢাকায় বিমানবন্দর সড়কের খিলক্ষেত থানা থেকে বিমানবন্দর পুলিশ ফাঁড়ি পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কারণে এই এলাকা ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থার তৎপরতা থাকে সার্বক্ষণিক। কিন্তু এই ‘নিরাপত্তা বলয়ের’ মধ্যে সক্রিয় আছে আরেকটি ‘বাহিনী’। এই ‘ছিনতাই বাহিনী’র মূল লক্ষ্য বাইসাইকেল চালকেরা।

ভুক্তভোগী সাইকেল চালকেরা জানান, সন্ধ্যার পর ব্যস্ত এই সড়কে ঘটে ছিনতাইয়ের ঘটনা। তবে খিলক্ষেত বা বিমানবন্দর থানা কখনো ছিনতাইয়ের মামলা নিতে রাজি হয় না। কোনো ভুক্তভোগী সুনাগরিক হিসেবে থানায় গিয়ে হাজির হলে তাঁদের করতে হয় মালামাল খোয়ানোর জিডি। ছিনতাইয়ের পাশাপাশি রক্তাক্ত হামলার শিকার হলেও পুলিশ মামলা নেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন অন্তত দুজন ভুক্তভোগী।

তবে পুলিশ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে তাদের বক্তব্যে দুই থানার ঠেলাঠেলির বিষয়ও বেরিয়ে এসেছে।

বিমানবন্দরের সামনে দিয়ে যাওয়া ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কটি মূলত গুলশান, বনানী ও মহাখালী এলাকার সঙ্গে উত্তরাকে যুক্ত করেছে। উত্তরা এবং এর আশপাশের এলাকার বাইসাইকেল চালকদের এ সড়ক ধরেই যাতায়াত করতে হয়। ছয় লেনবিশিষ্ট এই সড়কে সব সময় গাড়ি চলে দ্রুতগতিতে। অপেক্ষাকৃত কম গতির সাইকেল চালকেরা এমনিতেই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করেন। এর সঙ্গে ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য যুক্ত হওয়ায় সন্ধ্যার পর অনেকেই ওই সড়ক দিয়ে সাইকেল চালানো কমিয়ে দিয়েছেন।

ছিনতাইয়ের শিকার সাইকেল চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সন্ধ্যার পর পিঠে ব্যাগ বহনকারী চালকদের ওপরই মূলত ছিনতাইকারীরা হামলা চালায়। সংখ্যায় এরা সর্বোচ্চ ছয়জন পর্যন্ত থাকে।

গত ২২ নভেম্বর রাত আটটার দিকে ওই এলাকায় ছিনতাইয়ের শিকার হন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক ইউসুফ যুবায়ের। তিনি বলেন, অফিস শেষে প্রতিদিনকার মতো তিনি বাইসাইকেলে করে বাসায় ফিরছিলেন। হোটেল লা মেরিডিয়ান পার হওয়ার পরপরই ফুটপাতে দাঁড়ানো একটা ছেলে ‘ও ভাই কই যান’ বলে ফুটপাত থেকে লাফ দিয়ে তাঁর সাইকেলের সামনে এসে দাঁড়ায়। আরেকজন লাফ দেয় ঠিক তার ওপর। দুজনই মাটিতে পড়ে যায়। তখন তৃতীয় আরেকজন এসে তার গলায় ছুরি ধরে বলে, ‘যা আছে দিয়া দেন, কোনো ঝামেলার চেষ্টা কইরেন না।’ আরেকজন বলে, ‘ওর ব্যাগেই সবকিছু, নিয়ে নে।’

যুবায়ের বলেন, সাইক্লিস্টদের জার্সির পিঠের দিকে তিনটি পকেট থাকে। মুঠোফোনসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখার কাজে পকেটগুলো ব্যবহার করেন তাঁরা। সাধারণ মানুষদের বিষয়টি জানার কথা না। কিন্তু ওই ছিনতাইকারীরা ছিল অভিজ্ঞ। কাঁধের ব্যাগ নেওয়ার পর সরাসরি পিঠের ওই পকেটে হাত ঢুকিয়ে তাঁর মুঠোফোনটি নিয়ে নেয়। এরপর তারা দেয়াল টপকে বিমানবন্দরের সংরক্ষিত এলাকায় ঢুকে পড়ে। ঘটনার পরদিন খিলক্ষেত থানায় মামলা করতে গেলে ডিউটি অফিসার মামলা নেননি। হারানো জিনিসপত্রের সাধারণ ডায়েরি নিয়েছেন শুধু।

টঙ্গী থেকে খিলক্ষেত ফেরার পথে গত ফেব্রুয়ারিতে লা মেরিডিয়ানের উল্টো পাশে ছিনতাইয়ের শিকার হন নুমান খান নামের একজন ছাত্র। ছিনতাইকারীরা তাঁর গলায় ছুরি ধরে ব্যাগে থাকা ল্যাপটপ, ক্যামেরা ও কাগজপত্র নিয়ে যায়। তারা ইট দিয়ে তাঁর বাঁ পায়ের হাঁটুর ওপরের অংশ থেঁতলে দেয়। নুমান খান প্রথম আলোকে বলেন, আধা ঘণ্টার মতো ফুটপাতের ওপর তিনি পড়ে ছিলেন। রাস্তা দিয়ে গাড়ি যাচ্ছিল, অনেকে জানালা দিয়ে তাকিয়েও দেখছিলেন। কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেননি। এরপর আরেকজন বাইসাইকেলচালক ওই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করেন।

একই জায়গায় গত রমজান মাসে ইফতার শেষে ফেরার পথে ছিনতাইয়ের শিকার হন কাব্য নুরুল মোমেন নামের আরেক বাইসাইকেলচালক।

ছিনতাইকারীদের বাঁশের আঘাতে দাঁত পড়ে গেছে আরেক সাইকেলচালক মো. এনামুল হকের। গত ১২ মার্চ খিলক্ষেত থানা থেকে কয়েক শ গজ দূরে লোটাস কামাল টাওয়ারের সামনে ছিনতাইয়ের শিকার হন বিমানবন্দরের এই সিএনএফ এজেন্ট। এনামুল বলেন, নিকুঞ্জ থেকে তিনি উত্তরার দিকে যাচ্ছিলেন। ছিনতাইকারীরা প্রথমে তাঁকে বাঁশ দিয়ে আঘাত করে রাস্তায় ফেলে দেয়। এরপর ইট দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করতে থাকে। তাঁর তিনটা দাঁত নড়ে যায় এবং একটা দাঁত পড়ে যায়।

সাইকেলচালকদের সংগঠন বিডি সাইক্লিস্টের একটি গ্রুপ আছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। এই পেজে তাঁরা নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। বিমানবন্দর সড়কে বারবার ছিনতাইয়ের ঘটনাও সেখানে ভুক্তভোগী সাইকেলচালকেরা বিভিন্ন সময়ে তুলে ধরেছেন। ওই সড়ক দিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার জন্যও বলেছেন অন্যদের।

পুলিশের কাছ থেকে প্রতিকার না পেয়ে বাইসাইকেলচালকদের কেউ কেউ আবার নিজেরাই নিজেদের নিরাপত্তার উদ্যোগ নিয়েছেন। পাল্টা আঘাতে ছিনতাইকারীর পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। তৌসিফ বিন মোহাম্মদ নামে এক ইতালিপ্রবাসী সাইকেলে যাওয়ার পথে দুজন ছিনতাইকারীর আক্রমণের শিকার হন। তিনি আগে থেকেই হাতে রাখা তালা দিয়ে আঘাত করলে এক ছিনতাইকারী ঘায়েল হয় এবং পালিয়ে যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, খিলক্ষেত থানা থেকে বিমানবন্দর পুলিশ ফাঁড়ির মধ্যবর্তী তিন কিলোমিটার এলাকায় আরও দুটি পুলিশ বক্স আছে। মূল সড়ক থেকে একটু ভেতরে আছে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের কার্যালয়। খিলক্ষেত থানা থেকে পাঁচ তারকা হোটেল লা মেরিডিয়ান পর্যন্ত মহাসড়কের পাশ দিয়ে একটি পার্শ্ব রাস্তাও আছে। মাঝখানে ফুটপাতের ওপর গাছগাছালি। সন্ধ্যার পর জায়গাটিতে আলোর স্বল্পতা দেখা দেয়। আর লা মেরিডিয়ানের পরপরই শুরু হয়েছে বিমানবন্দরের সংরক্ষিত এলাকার দেয়াল। দেয়ালের ভেতর দিয়ে একটি পার্শ্ব সড়ক বিমানবন্দরের ভিভিআইপি ও ভিআইপি টার্মিনালের গেট পর্যন্ত গেছে। জায়গাটি একেবারেই নির্জন। জলাশয়ও রয়েছে বেশ কয়েকটি।

গত রোববার আবুল বাহার নামের সেখানকার একটি নার্সারির কর্মচারী বলেন, ‘প্রায়ই ছিনতাইয়ের ঘটনার কথা শুনি।’ এত নিরাপত্তার মধ্যে কীভাবে ঘটনাগুলো ঘটে, তা নিয়ে তাঁরাও মাঝেমধ্যে আলোচনা করেন বলে জানান তিনি।

থানায় যাওয়া ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, জায়গাটি খিলক্ষেত ও বিমানবন্দর থানার মধ্যে পড়ায় কিছু ঘটলে কোনো থানাই দায়িত্ব নিতে চায় না। দুই থানাই বলে, ঘটনাস্থল তাদের থানার মধ্যে পড়ে না।

তবে সাইকেলচালকদের অভিযোগ মানতে নারাজ খিলক্ষেত থানার ওসি শহিদুল হক। তাঁর বক্তব্য, ‘দু-একটি ঘটনা ঘটে, তবে তা আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নয়।’ তাঁর দাবি, অধিকাংশ ঘটনাই বিমানবন্দর থানা এলাকার মধ্যে ঘটে। তাঁর থানা এলাকায় দু-একটি ঘটনা ঘটে থাকলেও পুলিশের নিয়মিত টহলের কারণে তা কমে এসেছে। মামলা না নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, আইনি জটিলতার ভয়ে ভুক্তভোগীরাই মামলা করতে চান না।

আর বিমানবন্দর থানার ওসি নূরে আজম সোজা জবাব দিয়ে দিলেন, ‘আমার থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি।’ ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, জিনিসপত্র খোয়ানোর যে জিডি তাঁদের দিয়ে করানো হয়েছে, তার কোনো অগ্রগতিও তাঁদের জানানো হয়নি। মোবাইলসহ মালামাল উদ্ধারে কোনো উদ্যোগ তাঁরা থানার কাছ থেকে পাননি।

বিডি সাইক্লিস্টের মডারেটর ফুয়াদ আহসান চৌধুরী বলেন, ‘ছিনতাইয়ের ঘটনায় বেশ কয়েকজন সাইকেলচালক আহত হওয়ায় কয়েক মাস আগে পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার এবং অতিরিক্ত উপকমিশনারের সঙ্গে আমরা দেখা করেছিলাম। তাঁরা খিলক্ষেত থানার ওসির সঙ্গে কথা বলে এই এলাকায় টহল বাড়িয়েছিলেন। তখন কিছুদিন পরিস্থিতি ভালো ছিল। কিন্তু আবারও আমরা সাইকেলচালকদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাচ্ছি'।
(সংগৃহীত)

ভালো থাকুন | School of Awareness

ATM বুথ- এ সন্ত্রাসীদের মুখোমুখি হলে করনীয়!

এভাবে ATM বুথ- এ সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা পেতে পারেন।
(সংগৃহীত)

ভালো থাকুন | School of Awareness

মোবাইল হারালে বা চুরি হলে করনীয় কী?


মোবাইলে ফেসবুক লগইন করা থাকলে মোবাইল চুরি হবার সাথে সাথে ফেসবুক পাসওয়ার্ড পালটিয়ে আইডি ডিএ্যাকটিভ করে এ্যাকটিভ করুন।

এখানে সাধারণ করনীয় আলোচনা করা হয়েছে। যদি সতর্ক থাকার পরেও আপনার মোবাইল ফোন চুরি হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে নিম্নোক্ত তিনটি স্টেপ অনুসরণ করুন—
১) আইএমইআই নম্বর উল্লেখপূর্বক থানায় জিডি করুন।
২) জিডির একটি কপিসহ র‌্যাবে অভিযোগ করুন। অনেকেই জানেন না, র‌্যাব পুলিশেরই ইউনিট।
৩) জিডির কপিতে উল্লেখ করা অফিসারের সাথে যোগাযোগ রাখুন এবং তার মাধ্যমে ডিবি এর ট্র্যাকিং টিমের সহায়তা নিন।

অনেক সময় দেখা যায় আইটিতে দক্ষ ইউজার নিজেই ট্র্যাক করে বের করে ফেলেছেন মোবাইলের অবস্থান। এরকম হলে ডিবির জন্য বসে থেকে লাভ নেই, লোকেশন সহ জিডিতে উল্লেখিত অফিসারের সহায়তা নিয়ে চোর মশাইকে করে ধরে ফেলুন।
জিডি করে বেশিরভাগ সময়েই ফোন ফেরত পাওয়া যায় না। এর কারণ হচ্ছে, ডিবির ট্র্যাকিং টিম মূলত প্রায়োরিটি দেয় অতি গুরুত্বপূর্ণ কেইসগুলোর মোবাইল ট্র্যাকিং-কে; খুন, সন্ত্রাস ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট মোবাইল ট্র্যাক করাই এদের মূল কাজ, তাই হারিয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধারের সিরিয়াল বহু পরে আসে। ততদিনে আপনি নতুন মোবাইল কিনে ফেলেন!

তবুও জিডি করবেন কেন?
১) আপনার মোবাইল ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করলে সেটা যাতে আপনার ঘাড়ে না পড়ে সেজন্য। আপনার হারিয়ে যাওয়া মোবাইলে সংরক্ষিত তথ্য ব্যবহার করে কেউ যদি অপকর্ম করে, জিডির কপি দেখিয়ে সেটার দায় থেকে রক্ষা পেতে পারবেন।
২) হঠাৎ হঠাৎ জিডির দ্বারা ট্র্যাকিং করে মোবাইল পাওয়া গেলেও যেতে পারে।

এবার মেয়েদের জন্য একটা পরামর্শ, জেন্ডার বায়াসড শোনালেও ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। প্লিজ, মোবাইল ফোনে নিজেদের এমন কোন ছবি রাখবেন না যেটা প্রকাশ হওয়াটা আপনার জন্যে অনেক ক্ষতিকর।
(সংগৃহীত)

ভালো থাকুন | School of Awareness