Tuesday, February 5, 2019

এয়ারপোর্টে কোনো সমস্যায় পড়লে কী করবেন, জেনে নিন সাহায্য পাওয়ার উপায়!


কয়েকদিন আগের ঘটনা। একজন কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশী দেশে বেড়াতে এসছিলেন। দেশের কাজ শেষ করে সেইদিন ফিরছিলেন। শাহজালাল বিমানবন্দরে বোর্ডিং শেষ করে বিমানে ওঠার আগ মুহূর্তে বিশেষ সিকিউরিটিতে তিনি আটক হন। তার কাছ থেকে চার হাজার সামথিং ডলার উদ্ধার করেন বিমানবন্দরের কর্মীরা। তাকে বলা হয় এই অর্থ আপনি নিয়ে যেতে পারবেন না। আপনার কোনো রিলেটিভের কাছে দিয়ে যান। বোর্ডিং এর পরে যে স্টেজে তাকে আটক করা হয় সেখান থেকে তারপক্ষে কোনো রিলেটিভের নিকট আসা সম্ভব না। কিংবা বলা যায় পৌঁছানো সম্ভব না।

এখানে একটা জিনিস বলে রাখি, ৫ হাজার ডলারের বেশি নিয়ে কেউ যদি দেশে প্রবেশ করেন তাহলে তাকে একটা কাগজের টিকচিহ্নের মতো স্থান পূরণ করে জানাতে হবে। আবার দেশে এসে খরচ করার পরে বাকি অর্থ (৫ হাজার ডলারের ওপর) নিয়ে যেতে হলে একইভাবে জানাতে হবে। তবে ৫ হাজারের নিচে হলে সেটা জানানোর প্রয়োজন নেই। কিন্তু এই নিয়ম অনেকেরই জানা থাকে না। বোর্ডিং এর পরে চেকিং এর সময় ৫ হাজার বা কম থাকুক যদি বলা হয় আপনি এই 'অর্থ নিয়ে যেতে পারবেন না' তাহলে ডলারগুলো সেই বিমানবন্দরের কর্মীদের নিকটে জমা না দিয়ে উপায় থাকে না।
আমাদের রংপুর অঞ্চলের প্রবাদ অনুযায়ী 'শিয়ালের কাছে মুরগি আদি' টাইপের ব্যাপার হয়ে যায় আর কি।

যাইহোক, সেই কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশিকেও প্রায় চার হাজার সামথিং ডলার জমা দিয়ে যেতে হবে। উপায় কি? তার মাথায় হুট করে একটা বুদ্ধি আসে ফেসবুকে ম্যাজিস্ট্রেটদের একটি ফ্যান পেইজ দেখেছিলেন। তিনি দ্রুত মোবাইলে লগইন করে সেই পেজে চলে যান সেখানে তিনি একটি ফোন নম্বর পান সেই ফোন নম্বরে ফোন দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে সেখানে ম্যাজিস্ট্রেটের দল উপস্থিত হয়।

এরপর কি? গল্পতে যেমন হয় আর কি। সেই প্রবাসী বাংলাদেশি নিজের ডলার নিয়েই বিমানে ওঠেন। আর সেই হয়রানিকারী বিমানবন্দরের কর্মী কিন্তু রেহাই পান নি। তাকে গ্রেপ্তার করে আনা হয়। এসবকিছু ঘটে মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে। সেই ফ্যান পেজটির লিংক- Magistrates, All Airports of Bangladesh
এসব গল্পের মতো শোনালেও আসলে গল্প নয়। শাহজালাল বিমানবন্দরে এইরকম অসংখ্য গল্পের মতো ঘটনাই ঘটছে, আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট ভাইদের জন্যই। ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ইউসুফকে আমি ফোন দিয়েছিলাম সেদিন একটা সংবাদের জন্য। তখন এই বিমানকর্মীকে আটক অবস্থায় এই ঘটনা শোনান। তিনি সেদিন আরো তিনটি ফোন নম্বর যুক্ত করে দেন। ফোন নম্বরগুলো যাদের প্রয়োজন সেভ করে রাখতে পারেন। অপরকে সাজেস্ট করতে পারেন। আর যদি মনে হয় কারো উপকারে আসবে তাহলে পোস্টটি শেয়ারও করতে পারেন ।
ফোন নম্বরগুলো - 01866544444, 01866566666, 01787661144 এবং 01787661166
(সংগৃহীত)

ভালো থাকুন | School of Awareness

মেয়েরা শপিং করতে গিয়ে সতর্ক হোন, জেনে নিন কোন বিষয়ে?


১৩ জুন, ২০১৭ সন্ধ্যার ঘটনা। আসাদগেট আড়ং এ দুই বান্ধবী মিলে জামা দেখছি। কিছুক্ষণ পর খেয়াল করলাম handbag এর চেইন খোলা। তাকিয়ে দেখলাম মোবাইলটা আছে, wallet টা নাই।
সাথে সাথে কাউন্টার এ বললাম। তাদের বক্তব্য এরকম-
- এখন তো এখানে প্রায় দিনই এরকম হচ্ছে। আপনারা ব্যাগ একটু সাবধানে রাখেন না কেন?
- এখানে যারা shopping করতে আসছে তারা সবাই মোটামুটি টাকাপয়সাওয়ালা। এরা যে চুরি করবে, এ কারণে ব্যাগ আলাদাভাবে সাবধানে রাখতে হবে এটা তো ভাই মাথায় আসেনাই।
-ব্যাগে কি বেশি টাকাপয়সা ছিল?
-টাকাটা তো fact না, ব্যাগে আইডি কার্ড আছে, কাগজপত্র আছে। ওগুলো তো important জিনিস।
-তাহলে একটা কাজ করতে পারেন,টাকা হয়ত পাবেন না কিন্তু অনেক সময় হয় যে টাকা নিয়ে চোর ব্যাগ ফেলে দিয়ে যায়। ওরকম হলে, কেউ খুঁজে পেলে আমরা জানাতে পারব আপনাকে ফোন দিয়ে।
বেশ ভালো কথা। এটাও যথেষ্ট উপকার। ফোন নম্বর রেখে আসলাম।
আসাদগেট থেকে গ্রিনরোড সিগন্যাল পৌঁছনোর আগেই ফোন আসল। একটা wallet পাওয়া গেছে, ভেতরে কোন টাকা পয়সা নাই তবে একটা আইডি কার্ড, কিছু পাসপোর্ট সাইজ ছবি, কাগজপত্র এসব আছে। 
জিজ্ঞেস করলাম, আপনি আড়ং থেকে বলছেন?
বলে, "না আমি পপুলার এর সামনে থেকে বলছি। আপনার wallet টা এখানে পাওয়া গেছে। সিটি কলেজ এর এখানে এই জিগাতলার কাছে। আপনি এখনি এসে নিয়ে যান।"
বলতে বাধ্য হলাম, "ভাই টাকাপয়সা যেহেতু নাই,আপনি নিশ্চিন্তে পপুলার এর সামনে একটা দোকানে রেখে যান, আমি কালকে নিয়ে আসব।"
এরপরেও জেদাজিদি করছিল তখনি গিয়ে নিয়ে আসার জন্য, রাজি হলাম না।

এখন প্রশ্ন হলো-
১. wallet যদি পপুলার এর সামনে পাওয়া গিয়ে থাকে, তাহলে আমার মোবাইল নম্বর পেল কোথায়? wallet এর ভেতরে তো মোবাইল নম্বর ছিলোনা আমার; আমার নম্বর আছে শুধুমাত্র আড়ং এর কর্মচারীদের কাছে।
২. শুধু চুরি করাই যদি উদ্দেশ্য হয়, তাহলে তো খালি ওয়ালেটটা আড়ং থেকে ফোন দিয়ে আমাকে নিয়ে যেতে বললেই হতো। রাতের সাড়ে আটটায় দুইটা মেয়েকে জিগাতলায় যেতে বলা কেন?
গেলে অবশ্যই আমার জন্য আরো বিপদ অপেক্ষা করেছিল।

আল্লাহ হয়ত আমাকে অল্পের উপর দিয়ে পার করে দিল। কিন্তু এখন যারা রোজ ঈদের শপিং করছে তাদের প্রত্যেকেরই সাথে বেশ ভালো একটা অংকের টাকা থাকে। এটারই সুযোগ নিচ্ছে এরা। অথবা কারো ব্যাগে মূল্যবান কোন কাগজপত্র বা কিছু থাকলে সেটা নিতে এদের কথা মতো কোন জায়গায় গিয়ে আরো বড় কোন বিপদে পড়তে পারে যে কেউ। আর এখানে এখন সন্দেহের কোন অবকাশ নেই যে এই পুরো ব্যাপারটাতে আড়ং এর একাধিক কর্মচারী একসাথে জড়িত। এরা একটা চক্র। সবাই সাবধান থাকুন। 
আড়ং এর মত নামী ব্রান্ডের নামের আড়ালে তাদের কর্মচারীদের এ ধরণের কার্যকলাপ যথেষ্ট লজ্জাজনক।

So, girls be alert!
লেখা- ফারাহ তাসনিম বাঁধন।
(সংগৃহীত)

ভালো থাকুন | School of Awareness

Monday, February 4, 2019

ঢাকাতে চলাফেরায় কিছু পরামর্শ যা সকলেরই জানা অতি প্রয়োজনীয়!


১) আপনি ব্যাংক থেকে ৩লাখ টাকা তুলে লোকাল বাসে উঠলেন। কারণ সিএনজিতে উঠলে ছিনতাইয়ের ভয় থাকে। বাস চলা শুরু করলে কিছুদূর যাওয়ার পর এক ব্যক্তি হঠাৎ হা-হুতাশ শুরু করলো, "আমার ব্যাগ চুরি হয়েছে; ব্যাগে তিন লাখ টাকা ছিল" আশে পাশের সবাই তাকে সান্তনা দিবে। একজন হঠাৎ বলবে, "এই বাসের কেউই হয়তো নিয়েছে, সার্চ করে দেখা হোক"। ৮-১০ জন তাকে সাপোর্ট দিবে। এই ৮-১০ জন বাসের সবাইকে সার্চ করা শুরু করবে। অবশেষে আপনার কাছে ব্যাগ পাওয়া যাবে। ব্যাগের রং মিলবে, বাহ্যিক বর্ণনা মিলবে, টাকার পরিমাণও মিলবে। আপনাকে চোর সাব্যস্ত করে উত্তম-মধ্যম দেয়া হবে, টাকা নিয়ে তারা চলে যাবে। কমপক্ষে ৮-১০ জন এই কাজ করে একসাথে। ব্যাংক থেকেই ফলো করা শুরু করে এরা।
ব্যাংক থেকে টাকা তোলার সময় সতর্ক থাকা ভালো। সম্ভব হলে একাকী টাকা না তোলা উচিৎ। যেই ব্যাগ ইউজ করছেন সেই ব্যাগের কিছু বৈশিষ্ট্য জেনে রাখা ভালো।

২) খুব সকালে অথবা রাতে আপনি রাস্তা দিয়ে হাঁটছেন কিংবা রিকশায়। রাস্তা ফাঁকা। হঠাৎ একটা মোটরসাইকেল এসে টান দিয়ে ব্যাগ নিয়ে যাবে। আপনি খুব শক্ত করে ব্যাগ ধরে রেখেছেন? তাতে ফলাফল আরো মারাত্মক হবে। এক্সিডেন্ট করবেন, জীবনও চলে যেতে পারে। কয়েক মাস আগেই এক মহিলার ব্যাগ টান দিয়েছিলো মাইক্রোবাস থেকে। ব্যাগ মহিলার হাতে প্যাঁচানো ছিল। প্রায় এক কিলোমিটার তারা মহিলাকে ছ্যাচড়িয়ে নিয়ে গেছে, ততক্ষণে মহিলার মৃত্যু হয়ে গিয়েছে। তবুও তারা ব্যাগটা ছাড়েনি। আপনি হয়তো ভাবছেন আপনার কাছে তো টাকা-পয়সা নেই, আপনার ব্যাগ কেউ টান দিবে না। আপনার কাছে টাকা-পয়সা নেই এটা আপনি জানেন, তারা তো জানে না।
রিকশায় বসলে ব্যাগ দুই পায়ের ফাঁকে রাখা ভালো আর হাঁটার সময় রাস্তার পাশে যেই হাত তার বিপরীত পাশের হাতে ব্যাগ রাখবেন।

৩) আপনি গাড়িতে আছেন। মোটামুটি উপরের কোন পদ্ধতি কাজ করবে না তাই রিলাক্সে গাড়ি চালাচ্ছেন। হঠাৎ পাশ থেকে এক গাড়ি এসে ধাক্কা দিবে। রেগেমেগে আপনি গাড়ি থামিয়ে চার্জ করতে যাবেন। অপর গাড়ি থেকে ৪-৫ জন নেমে এসে উলটা আপনাকে চার্জ করবে, ক্ষতিপূরন চাইবে, টাকাপয়সা নিয়ে যাবে। না দিতে চাইলে মারধোর করবে। এই ঘটনাটি বেশী ঘটবে ফ্লাইওভারের উপর, হাইওয়েতে কিংবা ফাঁকা রাস্তায়। এই ধরনের রাস্তায় গ্যাঞ্জাম দেখলে আপনি চিল্লাচিল্লি করলেও কেউ গাড়ি থামাবে না।
এই ক্ষেত্রে গাড়ি না থামানোই ভালো। আর নয়তো আশেপাশে পুলিসের সাহায্য গ্রহণ করার চেষ্টা করতে হবে।
তিন ক্ষেত্রেই আপনার টাকা তো যাবেই, সাথে মারধোর কিংবা আহত হওয়ার ভয় থাকে।

৪) আপনি ফ্লাইওভার দিয়ে যাচ্ছেন, সিএনজিতে। পুলিস সিএনজি থামালো। আপনার পকেট সার্চ করার সময় ইয়াবা পাওয়া যাবে কিংবা আপনার ব্যাগে জিহাদী বই পাওয়া যাবে। প্রথমেই হালকা মারধোর করে ভয় পাইয়ে দিবে। তারপর বাসায় ফোন দেয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করে নিবে। সাথে টাকাপয়সা বা দামী কিছু না থাকলে থানায় নিয়ে আটকে রেখে বাবা-মাকে ফোন দিয়ে আনাবে। তারপর টাকা-পয়সা নিবে। একমাস পরেই ঈদ। পুলিসদেরও তো ঈদ করতে হবে। তাদেরও তো বসুন্ধরা সিটিতে মার্কেট করতে মন চায়। তাই ১৫ রোজার পর তারা বেশী করে এইসব খ্যাপে নামবে।
পুলিশ ধরলে বাঁচার উপায় নাই। রাজনৈতিক কিংবা প্রশাসনিক পাওয়ার থাকলে ভালো। আর নয়তো চেষ্টা করবেন গোপনে কথা রেকর্ড কিংবা ভিডিও করতে। এছাড়া ফাপরে কাজ হতে পারে। আপনাকে প্রথমেই ভড়কে দিবে, আপনি যদি ফাপর দিয়ে উল্টা ভয় দেখাতে পারেন তাহলে হয়তো বেঁচে যাবেন। তাদের মনেও ভয় থাকে, এমপি, মন্ত্রী, আইজি কিংবা ছাত্রলীগের নেতার ভয়। কিন্তু ফাপর দিলে বুঝে শুনে দিয়েন। যদি বুঝতে পারে ফাপর দিচ্ছেন তাহলে হিতে বিপরীত হবে। কনফিডেন্টলি ফাপর দিতে হবে।

এছাড়াও চলন্ত বাসে পকেটমার সাজিয়ে মারধোর কিংবা ব্যস্ত রাস্তায় ছিনতাইকারী সাজিয়ে মারধোর করারও ঘটনা আছে। বাঁচার জন্য সবসময় নিজের আইডি কার্ড সাথে রাখা ভালো। আর ঈদের আগের এই কয়েকদিন সাবধানে থাকা উচিৎ।
(সংগৃহীত)

ভালো থাকুন | School of Awareness

ব্যাংকে ব্ল্যাঙ্ক চেক দেবেন না/ নেবেন না!


ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে তারিখবিহীন ও খালি চেক (ব্ল্যাঙ্ক) চেক নিতে পারবে না ব্যাংকগুলো। চুক্তির ভিত্তিতে তারিখ ও টাকার অঙ্ক উল্লেখ করে চেক গ্রহণ করতে হবে। আজ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো ওই সার্কুলারে বলা হয়েছে, কনজুমার ফাইন্যান্সিং গাইডলাইন্স এবং স্মল এন্টারপ্রাইজ ফাইন্যান্সিং গাইডলাইন্স অনুসারে ঋণের ফেরতের গ্যারান্টি স্বরুপ ঋণ গ্রহীতার কাছ থেকে চেক জমা রাখে ব্যাংকগুলো। সম্প্রতি ব্যাংকিং খাতে ঋণের বিপরীতে অগ্রিম তারিখযুক্ত বা তারিখবিহীন চেককে জামানত হিসেবে গ্রহণের ফলে আইনী জটিলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন স্মল এন্টারপ্রাইজ ফাইন্যান্সিং গাইডলাইন্সের সংশ্লিষ্ট ৬ নং ধারায় বর্ণিত প্রত্যেকে কিস্তির জন্য পোস্ট তারিখসহ একটি করে চেক এবং সুদসহ ঋণের সমপরিমান অর্থের জন্য তারিখবিহীন আরেকটি চেক গ্রহণের বিধান বাতিল করা হলো।

এখন ঋণ ফেরতের নিশ্চয়তার ক্ষেত্রে, প্রতিটি কিস্তির সমপরিমাণ অর্থ একাউন্ট কেটে নেওয়ার অনুমতিপত্র গ্রাহকের কাছ থেকে গ্রহণ করতে হবে। পোস্ট তারিখযুক্ত চেক জমা নেওয়ার সময় অবশ্য গ্রাহকের সঙ্গে লিখিত চুক্তিপত্র করে নিতে হবে। ঋণ পরিশোধ সূচি অনুসারে প্রতিটি কিস্তির জন্য নির্ধারিত তারিখ ও কিস্তির সমপরিমান অর্থ মোতাবেক বৈধ স্বাক্ষর, তারিখসহ পূর্ণাঙ্গ চেক গ্রহণ করতে হবে।

নতুন এই নিয়ম গ্রাহকের সঙ্গে ব্যাংকের ঋণচুক্তিতে উল্লেখ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই সার্কুলারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানের নিয়মে ব্যাংকগুলো স্বাক্ষর সম্বলিত সম্পূর্ণ ব্ল্যাঙ্ক চেক গ্রাহকের কাছ থেকে গ্রহণ করে। পরে গ্রাহক ঋণ ফেরত দিতে ব্যর্থ হলেও ব্যাংক ওই চেকে তারিখ ও টাকার অঙ্ক বসিয়ে গ্রাহকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। আদালতে গিয়ে গ্রাহক দাবি করেন ব্যাংক জোরপূর্বক তার কাছ থেকে চেক নিয়ে ইচ্ছামত টাকার অঙ্ক ও তারিখ বসিয়ে নেন। এতে আইনী জটিলতা সৃষ্টি হয়। কোন চুক্তিপত্র না থাকায় ব্যাংকও এই অভিযোগের যুক্তি খন্ডাতে পারে না। এছাড়া গ্রাহকের উপর রুষ্ট হয়ে ব্ল্যাঙ্ক চেক অপব্যবহার গ্রাহকের বিরুদ্ধে অন্যায় আচরণ করার সুযোগ রয়েছে ব্যাংকগুলোর। এসব আইনি জটিলতা কাটিয়ে উঠতে লিখিত চুক্তি ও পূর্ণাঙ্গ চেক গ্রহনের নীতি প্রনয়ন করা হলো।
(সংগৃহীত)

ভালো থাকুন | School of Awareness

সাম্প্রতিক আতঙ্ক 'বাসায় ভুয়া পুলিশের আগমন'!


বুদ্ধি, প্রজ্ঞা ও সাহসিকতার সাথে এসব মোকাবেলা করুন। এরূপ একটি ঘটনা যা আপনাকে সেই শিক্ষা দিতে পারে-

ঘুমের ঘোরে ছিলাম। রাত তখন সাড়ে বারোটা। হঠাৎ বড় ভাই ডাকল। বলল, 'বাসায় পুলিশ সার্চ করবে, কি করব?'; আমাদের দরজার লুকিং গ্লাসে দেখলাম একজন ইউনিফর্মধারী কন্সটেবল, হাতে ওয়াকিটকি, কোমরে শটগান ঝোলানো। দেখে সন্দেহ হল। সাথে দেখলাম কিছু থ্রী কোয়ারটার পরা পোলা, সর্বমোট ৭-৮ জন হবে। একজন হাফপ্যান্টপরাও ছিল। দেখেই বুঝলাম 'ডাল মে কুছ কালা হ্যা'। ফ্ল্যাটের দরজার দড়ামছে নক করছিল। 'খোলেন না কেন?' বাসায় কে কে আছেন চেক করব। ওসিকে ফোন দিলাম। ওসি সাহেব বললেন আমাদের থানা থেকে কোন কিছু করা হচ্ছে না। উনি থানায় ফোন করতে বললেন। পুলিশ আসতেছে। ওরা কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে গেল। বলল, 'আসুক'। ৫-৬ মিনিট পর ওরা সিএঞ্জিতে করে চলে গেল। যাওয়ার সময় ইয়াং একটা ছেলে বলল, মিস হয়ে গেল। বারান্দা দিয়ে সব দেখলাম।
আসলে এরা ছিল ডাকাত। ডাকাতি করার উদ্দেশ্য এসেছিল । সবাই এদের থেকে সাবধান। মাঝরাতে বাসায় কেউ আসলে দরজা খুলবেন না।
(সংগৃহীত)

এ জাতীয় বিষয়ে 'প্রথম আলো'য় প্রকাশিত একটি লেখা পড়তে পারেন যা আপনাকে এরূপ বিষয়ে আরও দক্ষ করে তুলতে পারে। লেখাটির লিংক এই পোস্টের কমেন্টে দেওয়া আছে।

ভালো থাকুন | School of Awareness

রাজধানীজুড়ে ভাইচক্রের ‘ভয়ঙ্কর ফাঁদ’, পা দিলেই সর্বনাশ!


প্রথমে ‘ভাই’। এরপর এলাকার মানুষ। কখনো আত্মীয়ের এলাকার। এরপর ছোট ছোট খোঁজ-খবর। আরো পরে একই এলাকার যাত্রী। বিভিন্ন সুবিধা দেয়ার প্রতিশ্রুতি। এভাবেই আলাপ চলতে থাকে। একপর্যায়ে আস্থা অর্জন। হালকা আপ্যায়ন। আর এতেই ঘটে বিপত্তি। আস্থা অর্জন ও আপ্যায়ন করতে পারলেই তারা নেমে পড়ে কার্যসিদ্ধিতে। চোখের সামনেই ‘ভাই’য়ের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় সবকিছু। কিন্তু কিছুই বলার শক্তি থাকে না সব হারানো মানুষটির। সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষের মতোই দেখতে থাকেন তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়ার কাণ্ড। এ অবস্থায় আশপাশের মানুষেরও বোঝার উপায় থাকে না। তারা ভাবেন- মানুষগুলো তার পরিচিত। স্বেচ্ছায়-ই হস্তান্তর করছেন কাছের টাকা-পয়সা, জিনিসপত্র।

এভাবেই রাজধানীজুড়ে একটি 'ভাই চক্র' প্রতারণা চালিয়ে আসছে দিনের পর দিন। সহজ-সরল মানুষের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিচ্ছে টাকা-পয়সা-সোনা-দানাসহ মূল্যবান মালামাল। কোনো টার্গেট ব্যক্তির পেছনে সাধারণত ভাই চক্রের তিন সদস্য কাজ করে। একজন খাতির জমায়, ওই ব্যক্তির মাধ্যমেই কৌশলে কাছে আসে আরেকজন। আর তৃতীয়জন অধিকতর সতর্কতার জন্য দূর থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। কোনো কোনো চক্রে সদস্য সংখ্যা আরো বেশি থাকে। একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম কৌশলও তারা অবলম্বন করে। কখনো কখনো প্রতারণা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়েও।

রাজধানীজুড়ে একাধিক ‘ভাই চক্র’ প্রায় প্রতিদিনই মানুষকে প্রতারিত করে চলেছে। সম্প্রতি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এই চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের বিশেষ শাখা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর সদস্যরা। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি মো. আলমগীর মিয়া (২৮) চক্রের সক্রিয় সদস্য। তবে পলাতক রয়েছে চক্রের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য। তাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পিবিআই। গত শুক্রবার (?) বিকালে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তারের পর ঢাকা মহানগর পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে ভয়ংকর সব তথ্য দেন আলমগীর। পরদিন শনিবার আদালতে দেয়া জবানবন্দিতেও সেসব কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তাদের একাধিক গ্রুপ রয়েছে। প্রত্যেক গ্রুপের এলাকাও নির্দিষ্ট রয়েছে। রেল স্টেশনে তারা সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। এর বাইরে বিমানবন্দর, আব্দুল্লাহপুর, কুড়িল বিশ্বরোড, মহাখালী, সায়েদাবাদ, গুলিস্তান, যাত্রাবাড়ী, গাবতলী বাস টার্মিনালসহ জনবহুল এলাকায়। এছাড়া ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লা, লাকসাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভৈরবসহ একাধিক শহরে তারা এই প্রতারণা করে আসছে।

সূত্র জানায়, পিরোজপুরের বাসিন্দা ঢাকার একটি সেলুনে কর্মরত মো. হাসান (২০) এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন- তার ওমান প্রবাসী ফুফা সিফাত গত ২০শে ফেব্রুয়ারি শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে মালামাল পাঠিয়েছিলেন। ওইদিনই তিনি মালামালগুলো আনতে যান। ওই সময় তার কাছে ব্যাংকে জমা দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানের ২ লাখ ৩৬ হাজার টাকা এবং অফিসের কাজে ব্যবহৃত ল্যাপটপ, ৫টি মোবাইল, ৮টি পেন ড্রাইভ ছিল। ফ্লাইট আসতে দেরি হওয়ায় ১১টার দিকে তিনি বিমানবন্দর সংলগ্ন প্রধান সড়কের ফুটপাথে চা খাচ্ছিলেন। ওই সময় কবির নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরই মধ্যে সেখানে আলমগীর নামে আরেকজন হাজির হয়। কবির তাকে শ্যালক বলে পরিচয় করিয়ে দেয়।

আলমগীর তার ফেসবুক আইডিতে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠায়। তারাও শাহজালাল থেকে মালামাল গ্রহণ করতে এসেছে বলে জানায়। তার বাড়ি পিরোজপুর জানালে তারা জানায় তাদের বাড়ি ঝালকাঠি। এভাবে তাদের মধ্যে সখ্য গড়ে ওঠে। বিমানবন্দর এলাকায় ঘুরাঘুরির একপর্যায়ে তারা গাড়ি পার্কিংয়ের ২য় তলায় যায়। এ সময় আলমগীর দুটি জুস এনে তার সামনেই কর্ক খুলে। সে নিজেই একটা খায়। অপর একটি জুস কবিরকে খেতে দেয়। কবির কিছুটা জুস খেয়ে হাসানকে দেয়। ওই জুস খাওয়ার পরই হাসানের মাথা চক্কর দেয়। ট্রলিতে বসেন তিনি। হাত-পায়ের শক্তি হারিয়ে যায়। কাউকে কিছু বলারও সার্মথ্য ছিল না তার।

তিনি দেখছিলেন, কবির এবং আলমগীর তার পকেটে থাকা ১০ হাজার টাকাসহ মানিব্যাগ, একটি স্যামসাং জে-৭ মোবাইল ফোনসেট, ব্যাগে থাকা ২ লাখ ৩৬ হাজার টাকা ও একটি আসুস ল্যাপটপ, ৫টি বিভিন্ন ব্রান্ডের মোবাইল ফোনসেট, ৮টি পেন ড্রাইভ ও একটি ক্যানন ডিজিটাল ক্যামেরা নিয়ে নিচ্ছে। যার সর্বমোট মূল্য অনুমান ৩ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। তিনি তখন অর্ধচেতন, তন্দ্রাচ্ছন্ন। এ অবস্থায় হাঁটতে হাঁটতে ২য় তলার সিঁড়ির কাছে এলে এক ব্যক্তি তাকে নিয়ে পুলিশ বক্সে যান। এ ঘটনায় হাসান বাদী হয়ে গত ২০শে মে বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করেন। মামলাটি বিমানবন্দর থানা থেকে পিবিআইয়ে হস্তান্তর হয়। তদন্ত করেন সংস্থাটির এসআই মো. জুয়েল মিঞা। তদন্তে অজ্ঞান পার্টির বিশালচক্রের সন্ধান মেলে।

পরে ঢাকা মহানগর পিবিআইয়ের বিশেষ পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদের দিকনির্দেশনায় অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. বশির আহমেদের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রাম থেকে আলমগীর মিয়াকে (২৮) গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার কাছ থেকে চোরাইকৃত ৩৫ হাজার টাকা, একটি মোবাইল সেট, একটি পেন ড্রাইভ এবং তার ব্যবহৃত ১টি মোবাইল উদ্ধার করে। আটককৃত আসামি জিজ্ঞাসাবাদে ভয়ঙ্কর তথ্য দেন। তিনি জানান, তার এই চক্রের মূল হোতা তাজুল ওরফে কবির ওরফে আলু। এছাড়া এই গ্রুপে আছে জাহিদ, ইংলিশ মাসুদ। এর মধ্যে ডিগ্রি পাস ইংলিশ মাসুদ ১৪ বছর ধরে এই কাজ করে। আরেকটি গ্রুপের নেতৃত্বে রবিউল। ইংলিশ মাসুদ ছাড়াও তার গ্রুপে জনিসহ আরো অনেকেই কাজ করে।

পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে ও আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে আলমগীর জানান, তাজুল ইসলাম ওরফে কবিরের নেতৃত্বে জাহিদ ও সে বয়ান (আলাপচারিতায়) দিয়ে সহজ-সরল মানুষের সঙ্গে ভাই সম্পর্ক গড়ে তুলে। এরপর তার কাছে কি পরিমাণ টাকা আছে জানার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তাদের চক্রের আরেক সদস্যকে কাছে ডেকে আত্মীয় হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়। বাকি সদস্যরা সাধারণ মানুষ হিসেবে নিকটবর্তী দূরত্বে থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে থাকে। কখনো কখনো নিজেদেরকে টার্গেট ‘ভাই’য়ের অঞ্চলের লোক বলে মিথ্যা পরিচয় দিয়ে সখ্য গড়ে তোলে। এরই মধ্যে তাদের একজন উঠে গিয়ে জুস/কোল্ড ড্রিংস/ঝালমুড়ি/চানাচুর/চা/কফি নিয়ে আসে। টার্গেটের সামনেই একজন কোল্ড ড্রিংস এর কর্ক খুলে খেতে থাকে যাতে সন্দেহ না হয়। অপরজন কথা বলার ফাঁকেই অগোচরে আঙুলের ফাঁকে রাখা বিশেষ ঔষধ ডিসুপান-২ এর গুঁড়া করা মিশিয়ে দেয়। একজন খেয়ে দেয়ায় ভিকটিমের কোন সন্দেহ থাকে না। খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ভিকটিম তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে বসে পড়ে। তার সামনেই কাছে থাকারা সর্বস্ব লুটে নেয়। ভিকটিম দেখলেও দেখা ছাড়া তার আর কিছুই করার থাকে না।
এ ছাড়াও চক্রটি বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে/রেল স্টেশনে ঘুরাফেরা করা একা থাকা যাত্রীকে টার্গেট করে। যাত্রী যে অঞ্চলে যাবে নিজেকে সে অঞ্চলের যাত্রী বলে পরিচয় দিয়ে পাশাপাশি বসে। অপরাপর সহযোগীরাও টিকিট নিয়ে বাসে যাত্রী হিসেবে ওঠে। যাত্রাপথে সুবিধামতো সময়ে বিশেষ ঔষধটি খাবারে মিশিয়ে যাত্রীর সর্বস্ব লুটে নেয়।

গ্রেপ্তারকৃত আলমগীর আরো জানান, কখনো তারা অল্প শিক্ষিত সহজ সরল যাত্রীকে টার্গেট করে। তাদেরকে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকে টাকা চুরি হয়েছে, সামনে চেক পোস্ট চলছে। টাকা থাকলে লুকিয়ে ফেলতে। তাদের কথায় বিশ্বাস করে যাত্রীর কাছে থাকা টাকা বের করে দিলে চক্রটি কাগজে মুড়িয়ে শার্ট/প্যান্টের ভাঁজে ভাঁজে রাখা বা লুঙ্গির কোঁচে রাখার কৌশল দেখিয়ে টাকার বদলে পূর্বে থেকেই মুড়িয়ে রাখা কাগজ দিয়ে টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। আবার এ চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন সরকারি অফিসের পিয়ন-ড্রাইভার পরিচয় দিয়ে যাত্রী সংগ্রহ করে থাকে। পরিচয়ের একপর্যায়ে ভিকটিমের গন্তব্যস্থান জেনে বলে আমার সাহেব-স্যারও ওখানে যাবে। আপনি চাইলে আমাদের গাড়িতে যেতে পারেন। এরই মধ্যে চক্রের আরেক সদস্য যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে। তখন ড্রাইভার ছদ্মবেশি ওই চক্রের সদস্য বলে মালামাল থাকলে যাওয়া যাবে না। তাই স্যারের চোখ ফাঁকি দিতে সেগুলো তার কাছে দিতে বলে। একইসঙ্গে স্যারের সামনে টাকা নেয়া যাবে না বলেও কাগজে মুড়িয়ে দেয়ার কৌশল দেখাতে গিয়ে খালি কাগজ দিয়ে টাকা নিজের কাছে রেখে দেয়। পরে তাদেরকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে গাড়ি আনার কথা বলে উধাও হয়ে যায়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. জুয়েল মিঞা বলেন, এ চক্রের একাধিক সদস্যকে তারা চিহ্নিত করেছেন। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

খবর মানবজমিন। বাংলাদেশ সময়: ১০: ৫৮ ঘণ্টা, ৩০ মে ২০১৭ খ্রিঃ
(সংগৃহীত)

ভালো থাকুন | School of Awareness

বিকাশ (bKash) ব্যবহারকারীরা সাবধান: হ্যাকাররা ফাঁদ পেতেছে বিকাশে!


বিকাশে প্রতারণার অভাবনীয় একটি নতুন ফাঁদ! বিকাশ ব্যাবহারকারীদের অবশ্যই জেনে রাখা উচিৎ।

সম্প্রতি কিছু অসাধুরা বিকাশ একাউন্ট জালিয়াতি করার নতুন ফাঁদ পেতেছে। কল স্প্রুফিং এর মাধ্যমে নাম্বার পরিবর্তন করে 121 কিংবা অন্য কোন নাম্বার দ্বারা বিকাশ ব্যাবহারকারীদের কল দিয়ে নিজেদেরকে উক্ত সিম কোম্পানির কাস্টমার ম্যানেজার হিসেবে দাবী করে থাকে।
নাম্বার অফিশিয়াল হওয়ার কারণে সবাই বিশ্বাসযোগ্য মনে করে থাকে। এই সুযোগ নিয়ে তারা জানায়, সিমটি যেই জাতীয় পরিচয় পত্র [National ID Card] এর মাধ্যমে করা তা যাচাই করে ভেরিফিকেশন করা হচ্ছে। সুতরাং, আপনার মোবাইল থেকে [*247* Target Code #] দিয়ে ডায়াল করার জন্য বলা হয়।
যা ডায়াল করার সাথে সাথেই আপনার বিকাশের পাসওয়ার্ড পরিবর্তিত হয়ে হ্যাকারের সেট করা নতুন পাসওয়ার্ডে পরিবর্তন হয়ে যাবে এবং আপনার বিকাশের সমস্ত নিয়ন্ত্রণ হ্যাকারের কাছেই চলে যাবে।

সুতরাং, সতর্ক থাকুন। পোস্টটি কপি/ শেয়ার করে আপনার পরিচিত সকল বিকাশ ব্যাবহারকারীদের জানিয়ে দিন যাতে কোন অসাধুরা বোকা বানাতে না পারে।
(সংগ্রহীত)

ভালো থাকুন | School of Awareness