Wednesday, February 6, 2019

নতুন কায়দায় প্রতারণা ও ছিনতাই, বাঁচতে হলে সতর্ক থাকুন!


ঘটনা-১:
আমাদের অফিসের একজন অফিসার প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা নিয়ে ব্যাংকে জমা দিতে যাচ্ছিল, টাকার খাম হাতেই ছিল। অফিস থেকে ব্যাংকের দূরত্ব প্রায় ২০০ মিটার। রাস্তায় একটা সিএনজি থেকে তাকে প্রশ্ন করা হয় সোনালী ব্যাংক কোথায়, সে উত্তর দেয়ার সময়েই ২জন লোক তার দুই পাশে এসে দাঁড়ায়, একজন তার ঘাড়ে হাত রাখে। তারপর অফিসারটি প্রায় চুপচাপ হয়ে যায়। ৫/৬ মিনিট পরে পাশাপাশি থাকা দুইটা সিএনজিতে করে অন্য দুইজন তার টাকার খাম নিয়ে চলে যায়, আর অফিসারটি প্রায় ঘন্টাখানেক পরে বুঝতে পারে তার টাকা অন্যরা নিয়ে গেছে। আমরা প্রথমে সন্দেহ করি ঘটনার সত্যতা নিয়ে, পরে পাশেই থাকা অন্য একটি ব্যাংকের সিসিটিভির ফুটেজে দেখি তার বর্ণণার সাথে ঘটনা প্রায় একই। অফিসারটি বলছে সে দেখতে পাচ্ছে তার কাছে থেকে টাকা নেয়া হচ্ছে বাট সে কি করবে তা নাকি বুঝে উঠতে পারছিল না, তাকে জোরও করা হয়নি, কিছু খাওয়ানোও হয়নি।

ঘটনা-২:
মহাখালীতে একজনের কাছে থেকে শোনা। একজন ভদ্রমহিলা বাজারে গিয়েছে, এমন সময় পাশ থেকে একজন দরিদ্র মহিলা তার কাছে সাহায্যের আবেদন জানায়, তারপর আরো ২/১ জন তাকে কিছু সাহায্য করতে উৎসাহিত করে। তখন সেই ভদ্র মহিলা ঐ অসহায় মহিলাটিকে তার হাতের স্বর্ণের চুড়ি, গলার চেইন, কানের দুল, মোবাইল দিয়ে চলে আসে। বাসায় আসার পরে তার মনে পরে সে তার সব গহনা ঐ মহিলাটিকে দিয়ে আসছে, কেন দিয়েছে তা মনে করতে পারেনা।

ঘটনা-৩:
গত ঈদের একদিন পর, আমি আসতেছি IUB এর সামনে দিয়ে সকাল ৮:৩০ টায়, যেহেতু ঈদের ছুটি সেহেতু রাস্তা একদম ফাঁকা। হঠাৎ একজন লোক প্রায় ৪০ এর মত বয়স, আমার কাছে এসে তার মোবাইলটা নাকের সামনে নিয়ে এসে বলতেছে, 'ওস্তাদ ২০ টাকা ফ্লেক্সি দিছি, আসছে কি একটু দেখেন'?
মাথাটা আমার কেমন যেন ঝিনঝিন করে উঠল, মুহুর্তেই তার কাছে থেকে সরে গিয়ে বললাম- আসছে। তারপরই প্রায় দৌড়ে তার কাছে থেকে নিরাপদ দূরত্বে গিয়ে তাকে তাকিয়ে দেখলাম, চুপচাপ হেটে যাচ্ছে, তাকে চ্যালেঞ্জ করতে চাইলাম কিন্তু আশেপাশে কোন লোক না দেখে সাহস পেলাম না। অস্ত্র ধরলে তার সাথে লড়াই করা যায়, কিন্তু তাদের কেমিকেলের সাথে লড়াই করব কীভাবে?

উপরে উল্লেখিত ৩টা ঘটনাই একদম রিসেন্ট। অনেক ধরণের আধুনিক কেমিকেল বের হয়েছে যা দিয়ে মানুষকে সাময়িক সময়ের জন্য সম্মেহন করে তার সবকিছু হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে। সুতরাং অপরিচিত/নির্জন স্থানে কারো সাথে কথা বলবেন না, কেউ কোন ধরণের হেল্প চাইলে আশেপাশে মানুষদের নিয়ে হেল্প করুন, একা একা বীরত্ব ফলাতে যাবেন না।
সচেতন হউন, দূর্ঘটনা থেকে দূরে থাকুন। 
(সংগৃহীত)

ভালো থাকুন | School of Awareness

Tuesday, February 5, 2019

চিনে রাখুন রাজধানীর ভয়ংকর ১৩৫টি স্পট!


রাজধানী ঢাকা'র ৪৯টি থানার ৮টি ডিভিশনাল জোনে ১৩৫টি ছিনতাই স্পট চিহ্নিত করে কড়া নজরদারিতে রেখেছে পুলিশ। আর এর মধ্যেই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ছিনতাইকারী চক্র। পাশাপাশি ছিনতাই কাজে বেড়ে গেছে আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহারও।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে রামপুরা হাজিপাড়া পেট্রল পাম্পের সামনে দিয়ে রিকশাযোগে বাসায় ফিরছিলেন মানিক নামের একজন ব্যবসায়ী। রংসাইড দিয়েই আরেকটি রিকশা তার গতিরোধ করে কুশল বিনিময় করে দুই যুবক। বাসার সকলে এবং খালাম্মা কেমন আছে জানতে চায় তারা। এসময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই এক যুবক পিস্তল বের করে মানিকের কোমরে ঠেকিয়ে টাকা পয়সা যা আছে দিয়ে দিতে বলেন। নিজে টাকা বের করার আগেই ওই দুই যুবক মানিকের পকেট থেকে ৬৫ হাজার টাকা নিয়ে নেয়। তার পকেটে দুটি দামি ব্যান্ডের মোবাইল থাকলেও তা নেয়নি ওই ছিরতাইকারিরা। শুধু এ ঘটনাই নয়, গত কয়েকদিনে উত্তরা, মিরপুর, শেওড়াপাড়া, যাত্রাবাড়ী, গেন্ডারিয়া ও পুরান ঢাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। এসব ঘটনার শিকার বেশিরভাগই নারী।

জানা গেছে, ঢাকা মহানগর পুলিশের কাছে বেশিরভাগ ছিনতাইয়ের ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগীরা বাড়তি ঝামেলা এড়াতে থানায় মামলা বা জিডি না করে হাসপাতাল বা ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েই বাড়ি ফিরে যান। এ কারণে ছিনতাইয়ের সঠিক পরিসংখ্যান থাকে না থানাগুলোতে। ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রাজধানীতে গড়ে প্রতি মাসে কমপক্ষে ২০টি ছিনতাইয়ের ঘটনার শিকার নারী ও পুরুষ চিকিৎসা নিচ্ছে। গতবছর শুধু ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছিনতাইয়ের শিকার ২৬২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। রাজধানীর ৪৯টি থানায় যেসব জিডি করা হয় তার বেশিরভাগই থানার আশপাশের রাস্তায় মোবাইল ও ল্যাপটপ ছিনতাইয়ের অভিযোগ।

ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম, উত্তরা পূর্ব থানা এলাকা, বাড্ডা, বনানী, খিলক্ষেত, ভাষানটেক, মিরপুর, পল্লবী, কাফরুল, দারুস সালাম, নিউমার্কেট, মোহাম্মদপুর, তেজগাঁও, মতিঝিল, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী, গুলিস্তান, রামপুরা, হাজারিবাগসহ মহানগরীর থানা এলাকায় অন্তত প্রায় ১৩৫টি ছিনতাইয়ের স্পট রয়েছে। এসব স্পট চিহ্নিত করে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেসন্স বিভাগের ডিসি মোঃ মাসুদুর রহমান বলেছেন, ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যদের ধরলেও খুব সহজেই জামিন পেয়ে বেরিয়ে আবার পুরনো কাজে লেগে যায়। তবে ছিনতাই প্রতিরোধে থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে। সম্প্রতি পুলিশের অভিযানে বেশ কয়জন ছিনতাইকারি ধরাও পড়েছে। ঈদকে ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেট ও শপিং মলে রয়েছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পাশাপাশি পোশাকে ও সাদা পোশাকেও মাঠে রয়েছে পুলিশের একাধিক টিম।

অপরাধপ্রবণ স্পটগুলো হলো, নিউ ইস্কাটন রোড, ইস্কাটন গার্ডেন রোড, দিলু রোড, কাকরাইল মোড়, মৎস্য ভবন এলাকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার দোয়েল চত্বর ও কাঁটাবন। দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা, বলাকা চত্বর, দৈনিক বাংলা মোড়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এলাকা, কমলাপুর রেলস্টেশন এলাকা, ফকিরাপুল, রেলওয়ে হাসপাতাল রোড, পীরজঙ্গি মাজার, শান্তিনগর মোড়, নটর ডেম কলেজ গেট, ফকিরাপুল গরম পানির গলি, রাজারবাগ টেলিকম ভবনের সামনের রাস্তা, ইত্তেফাক মোড়, নয়াপল্টন ভাসানী গলি, পুরানা পল্টনের মল্লিক প্লাজার সামনে ও আরামবাগ।

উত্তরা: ১১ ও ১৩ নম্বর সেক্টরের কয়েকটি সড়ক, আবদুল্লাহপুর, হাউসবিল্ডিং, জসীমউদ্দীন রোড, বিমানবন্দর গোলচত্বর ও রেলস্টেশন এলাকা। খিলগাঁও-রামপুরা-বাড্ডা: গোড়ান, মালিবাগ, চৌধুরীপাড়া, খিলগাঁও ওভারব্রিজ, পল্লীমা সংসদ এলাকা, ভূঁইয়াপাড়া বালুর মাঠ, রামপুরা ব্রিজ, টিভি রোড, মেরুল বাড্ডা বাজার, উত্তর বাড্ডা থানা রোড, দক্ষিণ বাড্ডা, কুড়িল বিশ্বরোড, আফতাবনগর লোহার ব্রিজ, মধ্য বাড্ডা ব্যাপারী গলি, বাজার গলি, পূর্ব বাড্ডা কবরস্থান রোড ও লিঙ্ক রোড।

যাত্রাবাড়ী-কদমতলী-শ্যামপুর: বিবির বাগিচা, কুতুবখালী, উত্তর যাত্রাবাড়ীর কলাপট্টি, দয়াগঞ্জ মোড়, কাজলার পাড়, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, জনপদ সড়ক, ধলপুর সিটিপল্লি, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর কবরস্থান রোড, যাত্রাবাড়ী মাছের আড়তের আশপাশে, মানিকনগর, মীর হাজীরবাগ ঘুণ্টিঘর, জুরাইন বালুর মাঠ, কুদার বাজার, মেডিকেল রোড, কদমতলী ওয়াসা রোড, নামা শ্যামপুর।

গুলশান-বনানী: গুলশান লেকপাড়, নিকেতন, শুটিং ক্লাবের সামনে, কাকলী মোড়, বনানী কাঁচাবাজার রোড, কড়াইল বস্তি, বনানী উড়াল সড়ক, সৈনিক ক্লাব ও চেয়ারম্যানবাড়ি এলাকা।

ধানমন্ডি-মোহাম্মদপুর: ধানমন্ডির আট নম্বর ব্রিজ, জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড, কলাবাগান খেলার মাঠ, সার্কুলার রোড (ভূতের গলি), মিরপুর সড়ক, মোহাম্মদপুরের আসাদ এভিনিউ, আওরঙ্গজেব রোড, কাঁটাসুর, বাঁশগাড়ি, মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল কলেজ এলাকা, আদাবর ১৪ নম্বর সড়ক, বায়তুল আমান, রিং রোড ও হাজারীবাগ বেড়িবাঁধ।

মহাখালী-তেজগাঁও: মহাখালী বাসস্ট্যান্ড, কাঁচাবাজারের সামনে, তিব্বত মোড়, উত্তর বেগুনবাড়ী, হাতিরঝিল, মগবাজার মোড়, মালিবাগ সুপার মার্কেটের সামনে, কারওয়ান বাজার, গ্রিনরোড, ইন্দিরা রোড সংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি কার্যালয়ের পেছনের গলি।

মিরপুর: মিরপুর বেড়িবাঁধের শাহ আলী মোড় থেকে ধউর, মিরপুর-১ নম্বর গোলচত্বর, মিরপুর-১২ নম্বর বাসস্ট্যান্ড, দক্ষিণ মণিপুর, বাউনিয়া বাঁধ, বিহারি কলোনি, আগারগাঁও মোড়, আইডিবি ভবনের সামনে, কল্যাণপুর হাউজিং এস্টেটের পাশের সড়ক, শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্রের সামনের সড়ক, আগারগাঁও ক্রসিং, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, দারুস সালাম, মাজার রোড।

পুরান ঢাকা: চানখাঁরপুল, তাঁতীবাজার, শাঁখারীবাজার, নিমতলী, সদরঘাট, বাবুবাজার, কাজী রিয়াজ উদ্দিন রোড, ধোলাইখাল, শহীদনগর ও কামরাঙ্গীরচর।

ঢাকা, ১৩ জুন ২০১৭খ্রিঃ
(সংগৃহীত)

ভালো থাকুন | School of Awareness

এয়ারপোর্টে কোনো সমস্যায় পড়লে কী করবেন, জেনে নিন সাহায্য পাওয়ার উপায়!


কয়েকদিন আগের ঘটনা। একজন কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশী দেশে বেড়াতে এসছিলেন। দেশের কাজ শেষ করে সেইদিন ফিরছিলেন। শাহজালাল বিমানবন্দরে বোর্ডিং শেষ করে বিমানে ওঠার আগ মুহূর্তে বিশেষ সিকিউরিটিতে তিনি আটক হন। তার কাছ থেকে চার হাজার সামথিং ডলার উদ্ধার করেন বিমানবন্দরের কর্মীরা। তাকে বলা হয় এই অর্থ আপনি নিয়ে যেতে পারবেন না। আপনার কোনো রিলেটিভের কাছে দিয়ে যান। বোর্ডিং এর পরে যে স্টেজে তাকে আটক করা হয় সেখান থেকে তারপক্ষে কোনো রিলেটিভের নিকট আসা সম্ভব না। কিংবা বলা যায় পৌঁছানো সম্ভব না।

এখানে একটা জিনিস বলে রাখি, ৫ হাজার ডলারের বেশি নিয়ে কেউ যদি দেশে প্রবেশ করেন তাহলে তাকে একটা কাগজের টিকচিহ্নের মতো স্থান পূরণ করে জানাতে হবে। আবার দেশে এসে খরচ করার পরে বাকি অর্থ (৫ হাজার ডলারের ওপর) নিয়ে যেতে হলে একইভাবে জানাতে হবে। তবে ৫ হাজারের নিচে হলে সেটা জানানোর প্রয়োজন নেই। কিন্তু এই নিয়ম অনেকেরই জানা থাকে না। বোর্ডিং এর পরে চেকিং এর সময় ৫ হাজার বা কম থাকুক যদি বলা হয় আপনি এই 'অর্থ নিয়ে যেতে পারবেন না' তাহলে ডলারগুলো সেই বিমানবন্দরের কর্মীদের নিকটে জমা না দিয়ে উপায় থাকে না।
আমাদের রংপুর অঞ্চলের প্রবাদ অনুযায়ী 'শিয়ালের কাছে মুরগি আদি' টাইপের ব্যাপার হয়ে যায় আর কি।

যাইহোক, সেই কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশিকেও প্রায় চার হাজার সামথিং ডলার জমা দিয়ে যেতে হবে। উপায় কি? তার মাথায় হুট করে একটা বুদ্ধি আসে ফেসবুকে ম্যাজিস্ট্রেটদের একটি ফ্যান পেইজ দেখেছিলেন। তিনি দ্রুত মোবাইলে লগইন করে সেই পেজে চলে যান সেখানে তিনি একটি ফোন নম্বর পান সেই ফোন নম্বরে ফোন দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে সেখানে ম্যাজিস্ট্রেটের দল উপস্থিত হয়।

এরপর কি? গল্পতে যেমন হয় আর কি। সেই প্রবাসী বাংলাদেশি নিজের ডলার নিয়েই বিমানে ওঠেন। আর সেই হয়রানিকারী বিমানবন্দরের কর্মী কিন্তু রেহাই পান নি। তাকে গ্রেপ্তার করে আনা হয়। এসবকিছু ঘটে মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে। সেই ফ্যান পেজটির লিংক- Magistrates, All Airports of Bangladesh
এসব গল্পের মতো শোনালেও আসলে গল্প নয়। শাহজালাল বিমানবন্দরে এইরকম অসংখ্য গল্পের মতো ঘটনাই ঘটছে, আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট ভাইদের জন্যই। ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ইউসুফকে আমি ফোন দিয়েছিলাম সেদিন একটা সংবাদের জন্য। তখন এই বিমানকর্মীকে আটক অবস্থায় এই ঘটনা শোনান। তিনি সেদিন আরো তিনটি ফোন নম্বর যুক্ত করে দেন। ফোন নম্বরগুলো যাদের প্রয়োজন সেভ করে রাখতে পারেন। অপরকে সাজেস্ট করতে পারেন। আর যদি মনে হয় কারো উপকারে আসবে তাহলে পোস্টটি শেয়ারও করতে পারেন ।
ফোন নম্বরগুলো - 01866544444, 01866566666, 01787661144 এবং 01787661166
(সংগৃহীত)

ভালো থাকুন | School of Awareness

মেয়েরা শপিং করতে গিয়ে সতর্ক হোন, জেনে নিন কোন বিষয়ে?


১৩ জুন, ২০১৭ সন্ধ্যার ঘটনা। আসাদগেট আড়ং এ দুই বান্ধবী মিলে জামা দেখছি। কিছুক্ষণ পর খেয়াল করলাম handbag এর চেইন খোলা। তাকিয়ে দেখলাম মোবাইলটা আছে, wallet টা নাই।
সাথে সাথে কাউন্টার এ বললাম। তাদের বক্তব্য এরকম-
- এখন তো এখানে প্রায় দিনই এরকম হচ্ছে। আপনারা ব্যাগ একটু সাবধানে রাখেন না কেন?
- এখানে যারা shopping করতে আসছে তারা সবাই মোটামুটি টাকাপয়সাওয়ালা। এরা যে চুরি করবে, এ কারণে ব্যাগ আলাদাভাবে সাবধানে রাখতে হবে এটা তো ভাই মাথায় আসেনাই।
-ব্যাগে কি বেশি টাকাপয়সা ছিল?
-টাকাটা তো fact না, ব্যাগে আইডি কার্ড আছে, কাগজপত্র আছে। ওগুলো তো important জিনিস।
-তাহলে একটা কাজ করতে পারেন,টাকা হয়ত পাবেন না কিন্তু অনেক সময় হয় যে টাকা নিয়ে চোর ব্যাগ ফেলে দিয়ে যায়। ওরকম হলে, কেউ খুঁজে পেলে আমরা জানাতে পারব আপনাকে ফোন দিয়ে।
বেশ ভালো কথা। এটাও যথেষ্ট উপকার। ফোন নম্বর রেখে আসলাম।
আসাদগেট থেকে গ্রিনরোড সিগন্যাল পৌঁছনোর আগেই ফোন আসল। একটা wallet পাওয়া গেছে, ভেতরে কোন টাকা পয়সা নাই তবে একটা আইডি কার্ড, কিছু পাসপোর্ট সাইজ ছবি, কাগজপত্র এসব আছে। 
জিজ্ঞেস করলাম, আপনি আড়ং থেকে বলছেন?
বলে, "না আমি পপুলার এর সামনে থেকে বলছি। আপনার wallet টা এখানে পাওয়া গেছে। সিটি কলেজ এর এখানে এই জিগাতলার কাছে। আপনি এখনি এসে নিয়ে যান।"
বলতে বাধ্য হলাম, "ভাই টাকাপয়সা যেহেতু নাই,আপনি নিশ্চিন্তে পপুলার এর সামনে একটা দোকানে রেখে যান, আমি কালকে নিয়ে আসব।"
এরপরেও জেদাজিদি করছিল তখনি গিয়ে নিয়ে আসার জন্য, রাজি হলাম না।

এখন প্রশ্ন হলো-
১. wallet যদি পপুলার এর সামনে পাওয়া গিয়ে থাকে, তাহলে আমার মোবাইল নম্বর পেল কোথায়? wallet এর ভেতরে তো মোবাইল নম্বর ছিলোনা আমার; আমার নম্বর আছে শুধুমাত্র আড়ং এর কর্মচারীদের কাছে।
২. শুধু চুরি করাই যদি উদ্দেশ্য হয়, তাহলে তো খালি ওয়ালেটটা আড়ং থেকে ফোন দিয়ে আমাকে নিয়ে যেতে বললেই হতো। রাতের সাড়ে আটটায় দুইটা মেয়েকে জিগাতলায় যেতে বলা কেন?
গেলে অবশ্যই আমার জন্য আরো বিপদ অপেক্ষা করেছিল।

আল্লাহ হয়ত আমাকে অল্পের উপর দিয়ে পার করে দিল। কিন্তু এখন যারা রোজ ঈদের শপিং করছে তাদের প্রত্যেকেরই সাথে বেশ ভালো একটা অংকের টাকা থাকে। এটারই সুযোগ নিচ্ছে এরা। অথবা কারো ব্যাগে মূল্যবান কোন কাগজপত্র বা কিছু থাকলে সেটা নিতে এদের কথা মতো কোন জায়গায় গিয়ে আরো বড় কোন বিপদে পড়তে পারে যে কেউ। আর এখানে এখন সন্দেহের কোন অবকাশ নেই যে এই পুরো ব্যাপারটাতে আড়ং এর একাধিক কর্মচারী একসাথে জড়িত। এরা একটা চক্র। সবাই সাবধান থাকুন। 
আড়ং এর মত নামী ব্রান্ডের নামের আড়ালে তাদের কর্মচারীদের এ ধরণের কার্যকলাপ যথেষ্ট লজ্জাজনক।

So, girls be alert!
লেখা- ফারাহ তাসনিম বাঁধন।
(সংগৃহীত)

ভালো থাকুন | School of Awareness

Monday, February 4, 2019

ঢাকাতে চলাফেরায় কিছু পরামর্শ যা সকলেরই জানা অতি প্রয়োজনীয়!


১) আপনি ব্যাংক থেকে ৩লাখ টাকা তুলে লোকাল বাসে উঠলেন। কারণ সিএনজিতে উঠলে ছিনতাইয়ের ভয় থাকে। বাস চলা শুরু করলে কিছুদূর যাওয়ার পর এক ব্যক্তি হঠাৎ হা-হুতাশ শুরু করলো, "আমার ব্যাগ চুরি হয়েছে; ব্যাগে তিন লাখ টাকা ছিল" আশে পাশের সবাই তাকে সান্তনা দিবে। একজন হঠাৎ বলবে, "এই বাসের কেউই হয়তো নিয়েছে, সার্চ করে দেখা হোক"। ৮-১০ জন তাকে সাপোর্ট দিবে। এই ৮-১০ জন বাসের সবাইকে সার্চ করা শুরু করবে। অবশেষে আপনার কাছে ব্যাগ পাওয়া যাবে। ব্যাগের রং মিলবে, বাহ্যিক বর্ণনা মিলবে, টাকার পরিমাণও মিলবে। আপনাকে চোর সাব্যস্ত করে উত্তম-মধ্যম দেয়া হবে, টাকা নিয়ে তারা চলে যাবে। কমপক্ষে ৮-১০ জন এই কাজ করে একসাথে। ব্যাংক থেকেই ফলো করা শুরু করে এরা।
ব্যাংক থেকে টাকা তোলার সময় সতর্ক থাকা ভালো। সম্ভব হলে একাকী টাকা না তোলা উচিৎ। যেই ব্যাগ ইউজ করছেন সেই ব্যাগের কিছু বৈশিষ্ট্য জেনে রাখা ভালো।

২) খুব সকালে অথবা রাতে আপনি রাস্তা দিয়ে হাঁটছেন কিংবা রিকশায়। রাস্তা ফাঁকা। হঠাৎ একটা মোটরসাইকেল এসে টান দিয়ে ব্যাগ নিয়ে যাবে। আপনি খুব শক্ত করে ব্যাগ ধরে রেখেছেন? তাতে ফলাফল আরো মারাত্মক হবে। এক্সিডেন্ট করবেন, জীবনও চলে যেতে পারে। কয়েক মাস আগেই এক মহিলার ব্যাগ টান দিয়েছিলো মাইক্রোবাস থেকে। ব্যাগ মহিলার হাতে প্যাঁচানো ছিল। প্রায় এক কিলোমিটার তারা মহিলাকে ছ্যাচড়িয়ে নিয়ে গেছে, ততক্ষণে মহিলার মৃত্যু হয়ে গিয়েছে। তবুও তারা ব্যাগটা ছাড়েনি। আপনি হয়তো ভাবছেন আপনার কাছে তো টাকা-পয়সা নেই, আপনার ব্যাগ কেউ টান দিবে না। আপনার কাছে টাকা-পয়সা নেই এটা আপনি জানেন, তারা তো জানে না।
রিকশায় বসলে ব্যাগ দুই পায়ের ফাঁকে রাখা ভালো আর হাঁটার সময় রাস্তার পাশে যেই হাত তার বিপরীত পাশের হাতে ব্যাগ রাখবেন।

৩) আপনি গাড়িতে আছেন। মোটামুটি উপরের কোন পদ্ধতি কাজ করবে না তাই রিলাক্সে গাড়ি চালাচ্ছেন। হঠাৎ পাশ থেকে এক গাড়ি এসে ধাক্কা দিবে। রেগেমেগে আপনি গাড়ি থামিয়ে চার্জ করতে যাবেন। অপর গাড়ি থেকে ৪-৫ জন নেমে এসে উলটা আপনাকে চার্জ করবে, ক্ষতিপূরন চাইবে, টাকাপয়সা নিয়ে যাবে। না দিতে চাইলে মারধোর করবে। এই ঘটনাটি বেশী ঘটবে ফ্লাইওভারের উপর, হাইওয়েতে কিংবা ফাঁকা রাস্তায়। এই ধরনের রাস্তায় গ্যাঞ্জাম দেখলে আপনি চিল্লাচিল্লি করলেও কেউ গাড়ি থামাবে না।
এই ক্ষেত্রে গাড়ি না থামানোই ভালো। আর নয়তো আশেপাশে পুলিসের সাহায্য গ্রহণ করার চেষ্টা করতে হবে।
তিন ক্ষেত্রেই আপনার টাকা তো যাবেই, সাথে মারধোর কিংবা আহত হওয়ার ভয় থাকে।

৪) আপনি ফ্লাইওভার দিয়ে যাচ্ছেন, সিএনজিতে। পুলিস সিএনজি থামালো। আপনার পকেট সার্চ করার সময় ইয়াবা পাওয়া যাবে কিংবা আপনার ব্যাগে জিহাদী বই পাওয়া যাবে। প্রথমেই হালকা মারধোর করে ভয় পাইয়ে দিবে। তারপর বাসায় ফোন দেয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করে নিবে। সাথে টাকাপয়সা বা দামী কিছু না থাকলে থানায় নিয়ে আটকে রেখে বাবা-মাকে ফোন দিয়ে আনাবে। তারপর টাকা-পয়সা নিবে। একমাস পরেই ঈদ। পুলিসদেরও তো ঈদ করতে হবে। তাদেরও তো বসুন্ধরা সিটিতে মার্কেট করতে মন চায়। তাই ১৫ রোজার পর তারা বেশী করে এইসব খ্যাপে নামবে।
পুলিশ ধরলে বাঁচার উপায় নাই। রাজনৈতিক কিংবা প্রশাসনিক পাওয়ার থাকলে ভালো। আর নয়তো চেষ্টা করবেন গোপনে কথা রেকর্ড কিংবা ভিডিও করতে। এছাড়া ফাপরে কাজ হতে পারে। আপনাকে প্রথমেই ভড়কে দিবে, আপনি যদি ফাপর দিয়ে উল্টা ভয় দেখাতে পারেন তাহলে হয়তো বেঁচে যাবেন। তাদের মনেও ভয় থাকে, এমপি, মন্ত্রী, আইজি কিংবা ছাত্রলীগের নেতার ভয়। কিন্তু ফাপর দিলে বুঝে শুনে দিয়েন। যদি বুঝতে পারে ফাপর দিচ্ছেন তাহলে হিতে বিপরীত হবে। কনফিডেন্টলি ফাপর দিতে হবে।

এছাড়াও চলন্ত বাসে পকেটমার সাজিয়ে মারধোর কিংবা ব্যস্ত রাস্তায় ছিনতাইকারী সাজিয়ে মারধোর করারও ঘটনা আছে। বাঁচার জন্য সবসময় নিজের আইডি কার্ড সাথে রাখা ভালো। আর ঈদের আগের এই কয়েকদিন সাবধানে থাকা উচিৎ।
(সংগৃহীত)

ভালো থাকুন | School of Awareness

ব্যাংকে ব্ল্যাঙ্ক চেক দেবেন না/ নেবেন না!


ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে তারিখবিহীন ও খালি চেক (ব্ল্যাঙ্ক) চেক নিতে পারবে না ব্যাংকগুলো। চুক্তির ভিত্তিতে তারিখ ও টাকার অঙ্ক উল্লেখ করে চেক গ্রহণ করতে হবে। আজ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো ওই সার্কুলারে বলা হয়েছে, কনজুমার ফাইন্যান্সিং গাইডলাইন্স এবং স্মল এন্টারপ্রাইজ ফাইন্যান্সিং গাইডলাইন্স অনুসারে ঋণের ফেরতের গ্যারান্টি স্বরুপ ঋণ গ্রহীতার কাছ থেকে চেক জমা রাখে ব্যাংকগুলো। সম্প্রতি ব্যাংকিং খাতে ঋণের বিপরীতে অগ্রিম তারিখযুক্ত বা তারিখবিহীন চেককে জামানত হিসেবে গ্রহণের ফলে আইনী জটিলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন স্মল এন্টারপ্রাইজ ফাইন্যান্সিং গাইডলাইন্সের সংশ্লিষ্ট ৬ নং ধারায় বর্ণিত প্রত্যেকে কিস্তির জন্য পোস্ট তারিখসহ একটি করে চেক এবং সুদসহ ঋণের সমপরিমান অর্থের জন্য তারিখবিহীন আরেকটি চেক গ্রহণের বিধান বাতিল করা হলো।

এখন ঋণ ফেরতের নিশ্চয়তার ক্ষেত্রে, প্রতিটি কিস্তির সমপরিমাণ অর্থ একাউন্ট কেটে নেওয়ার অনুমতিপত্র গ্রাহকের কাছ থেকে গ্রহণ করতে হবে। পোস্ট তারিখযুক্ত চেক জমা নেওয়ার সময় অবশ্য গ্রাহকের সঙ্গে লিখিত চুক্তিপত্র করে নিতে হবে। ঋণ পরিশোধ সূচি অনুসারে প্রতিটি কিস্তির জন্য নির্ধারিত তারিখ ও কিস্তির সমপরিমান অর্থ মোতাবেক বৈধ স্বাক্ষর, তারিখসহ পূর্ণাঙ্গ চেক গ্রহণ করতে হবে।

নতুন এই নিয়ম গ্রাহকের সঙ্গে ব্যাংকের ঋণচুক্তিতে উল্লেখ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই সার্কুলারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানের নিয়মে ব্যাংকগুলো স্বাক্ষর সম্বলিত সম্পূর্ণ ব্ল্যাঙ্ক চেক গ্রাহকের কাছ থেকে গ্রহণ করে। পরে গ্রাহক ঋণ ফেরত দিতে ব্যর্থ হলেও ব্যাংক ওই চেকে তারিখ ও টাকার অঙ্ক বসিয়ে গ্রাহকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। আদালতে গিয়ে গ্রাহক দাবি করেন ব্যাংক জোরপূর্বক তার কাছ থেকে চেক নিয়ে ইচ্ছামত টাকার অঙ্ক ও তারিখ বসিয়ে নেন। এতে আইনী জটিলতা সৃষ্টি হয়। কোন চুক্তিপত্র না থাকায় ব্যাংকও এই অভিযোগের যুক্তি খন্ডাতে পারে না। এছাড়া গ্রাহকের উপর রুষ্ট হয়ে ব্ল্যাঙ্ক চেক অপব্যবহার গ্রাহকের বিরুদ্ধে অন্যায় আচরণ করার সুযোগ রয়েছে ব্যাংকগুলোর। এসব আইনি জটিলতা কাটিয়ে উঠতে লিখিত চুক্তি ও পূর্ণাঙ্গ চেক গ্রহনের নীতি প্রনয়ন করা হলো।
(সংগৃহীত)

ভালো থাকুন | School of Awareness

সাম্প্রতিক আতঙ্ক 'বাসায় ভুয়া পুলিশের আগমন'!


বুদ্ধি, প্রজ্ঞা ও সাহসিকতার সাথে এসব মোকাবেলা করুন। এরূপ একটি ঘটনা যা আপনাকে সেই শিক্ষা দিতে পারে-

ঘুমের ঘোরে ছিলাম। রাত তখন সাড়ে বারোটা। হঠাৎ বড় ভাই ডাকল। বলল, 'বাসায় পুলিশ সার্চ করবে, কি করব?'; আমাদের দরজার লুকিং গ্লাসে দেখলাম একজন ইউনিফর্মধারী কন্সটেবল, হাতে ওয়াকিটকি, কোমরে শটগান ঝোলানো। দেখে সন্দেহ হল। সাথে দেখলাম কিছু থ্রী কোয়ারটার পরা পোলা, সর্বমোট ৭-৮ জন হবে। একজন হাফপ্যান্টপরাও ছিল। দেখেই বুঝলাম 'ডাল মে কুছ কালা হ্যা'। ফ্ল্যাটের দরজার দড়ামছে নক করছিল। 'খোলেন না কেন?' বাসায় কে কে আছেন চেক করব। ওসিকে ফোন দিলাম। ওসি সাহেব বললেন আমাদের থানা থেকে কোন কিছু করা হচ্ছে না। উনি থানায় ফোন করতে বললেন। পুলিশ আসতেছে। ওরা কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে গেল। বলল, 'আসুক'। ৫-৬ মিনিট পর ওরা সিএঞ্জিতে করে চলে গেল। যাওয়ার সময় ইয়াং একটা ছেলে বলল, মিস হয়ে গেল। বারান্দা দিয়ে সব দেখলাম।
আসলে এরা ছিল ডাকাত। ডাকাতি করার উদ্দেশ্য এসেছিল । সবাই এদের থেকে সাবধান। মাঝরাতে বাসায় কেউ আসলে দরজা খুলবেন না।
(সংগৃহীত)

এ জাতীয় বিষয়ে 'প্রথম আলো'য় প্রকাশিত একটি লেখা পড়তে পারেন যা আপনাকে এরূপ বিষয়ে আরও দক্ষ করে তুলতে পারে। লেখাটির লিংক এই পোস্টের কমেন্টে দেওয়া আছে।

ভালো থাকুন | School of Awareness